ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জ ফরিদা ইয়াছমিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অনিয়ম তদন্তে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এ কমিটিতে প্রধান করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আওলিয়ার রহমানকে। বাকি দুজন সদস্য হলেন- সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. সাজিদ হাসান ও স্যানেটারি ইন্সপেক্টর গোলাম ফারুক। আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া জন্য বলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. সাজ্জাৎ হাসান।
জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জ ফরিদা ইয়াছমিনের বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়। এ নিয়ে স¤প্রতি দৈনিক সময়ের সমীকরণসহ চুয়াডাঙ্গার বেশ কয়েকটি স্থানীয় পত্রিকায় ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশ হয়। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা নার্সিং ইনস্টিটিউটে ৭৫ শিক্ষার্থী ভর্তিতে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ ওঠে ইনচার্জের বিরুদ্ধে। সরকার নির্ধারিত ফি’র চেয়ে তিনি অতিরিক্ত অন্তত ২ লাখ টাকা আদায় করেছেন বলে সংবাদে প্রকাশ হয়।
এছাড়া ওইসব শিক্ষার্থীদের মেডিকেল টেস্টের জন্য পাঠানো হয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল মেডিকেল সেন্টারে। সেখানেও কমিশন বাণিজ্য করেন তিনি। রেজিস্ট্রেশন কিংবা অ্যাডমিট কার্ডের জন্য টাকা আদায় করেন নিয়মিত। অপর দিকে, নার্সিং ইনস্টিটিটিউটে যে কোনো উন্নয়নমূলক কাজে স্বজনপ্রীতি, মিলের বাজারের জন্য স্বেচ্ছাচারিতা, অফিস নিয়ন্ত্রণে ইনচার্জ ফরিদা ইয়াছমিন ও ইন্সট্রাক্টর আনোয়ারা খাতুনের স্বামীদের অনাধিকার চর্চা ও অফিস স্টাফদের হুমকি-ধমকি দেয়ার অভিযোগও রয়েছে ইনচার্জ ফরিদা ইয়াছমিনের বিরুদ্ধে।
