ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গায় এসএসসি-৮৪ ব্যাচের বন্ধু মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার দিনব্যাপী ইব্রাহিমপুর মেহেরুন শিশু পার্কে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী হাসি-আড্ডা, র্যাফেল ড্র, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজনে মেতে উঠেন ৮৪ ব্যাচের বন্ধু মহল। আয়োজনের শুরুতে দোয়া ও প্রয়াতদের স্মরণে নীরবতা পালন করা হয়।
বয়স কি কখনো বন্ধুত্বের বাঁধনে, বন্ধুর ভালোবাসায় ঘাটতি হয়ে দাঁড়াতে পারে! নাকি বহু বছর নিজের নিজের কাজে থাকার কারণে বন্ধুত্বের সেই পুরোনো ভালোবাসা, ইয়ার্কি, আড্ডা ভুলে যেতে পারে কেউ। হয়তোবা সবাই নিজের মতো করে থাকলেও, একে অপরের কাছেই ছিলেন, ছিলেন অন্তরে। নতুন নতুন পরিচয় তৈরি হলেও বন্ধুত্ব তো একটা পরিচয় রাখেই। এসএসসি-১৯৮৪ ব্যাচের বন্ধু উৎসব এমনই এক আনন্দঘন পরিবেশের জন্ম দেয়। আনন্দ উল্লাসে এ যেন এক মহামিলন মেলায় রূপ নেয়। চুয়াডাঙ্গাসহ বাইরের বেশ কয়েকটি জেলা থেকে আসা ৮৪ ব্যাচের বন্ধু মহলসহ এ আয়োজনে এসএসসি-১৯৮৪ ব্যাচের প্রায় ২০০ জন বন্ধু অংশ নেন।
এ বন্ধু উৎসবে অংশ নেন চুয়াডাঙ্গার কৃতী সন্তান, সিঙ্গাপুরস্থ বাংলাদেশ বিজনেস অব চেম্বার (বিডিচ্যাম)-এর প্রেসিডেন্ট, সাহিদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এনআরবি ওয়ার্ল্ডের প্রেসিডেন্ট, এসএসসি-১৯৮৪ সালের ব্যাচের অন্যতম সদস্য আলহাজ সাহিদুজ্জামান টরিক। এছাড়াও এ আয়োজনে এসএসসি-১৯৮৪ সালের ব্যাচের অন্যতম সদস্য পারভীন লায়লা, শাহানাজ আক্তার, তানজিল, ফারজানা কেতকী, ইসমত আরা পুতুল, রেবেকা সুলতানা লিপি, নার্গিস জাহান, স্বপ্না, ডা. আঁখিতারা, রেদওয়ানুর রহমান মালিক (রোকন), আব্দুল জব্বার (চাইনিজ বাবু), আনন্দ জোয়ার্দ্দার, মোকছেদুল হক মল্লিক, মাসুম কামাল, মিজানুর রহমান, আমজাদ হোসেন, মঈনুল হক, তৌহিবুর রহমান জোয়ার্দ্দার বাবু, মিজানুর রহমান মিজান, আব্দুল মালেক, নূর ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সাহিদুজ্জামান টরিক বলেন, ‘বন্ধুদের সবাইকে কীভাবে এক জায়গায় করা যায়, কীভাবে সবার সাথে যোগাযোগটা একটু বাড়ানো যায়, সেটি নিয়ে আমাদের বসতে হবে। আমাদের বন্ধুরাই অনেক ভালো ভালো জায়গায় আছে। আসলে মাথার ওপরে সূর্য বারোটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত থাকে। সৃষ্টিকর্তা নূরটাকে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যই রাখেন। মানুষের জীবনেও এমন সময় আসে। ওই সময়টাতে যারা অবহেলা করেন, তারা পিছিয়ে পড়েন। আমাদের বন্ধুত্বটাকে আরও শক্ত করতে হবে।’
