ছবির ক্যাপশন:
মহান বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে দর্শনা থানা বিএনপি কেরুজ আনন্দবাজার স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেছে। দর্শনা থানা বিএনপির উদ্যোগে রাত ১২টা ১ মিনিটে তোপধ্বনির পর কেরুজ আনন্দবাজার স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। দর্শনা থানা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খাঁজা আবুল হাসনাত ও সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে এই তোপধ্বনি ও পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি আব্দার আলী, থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, নজরুল ইসলাম, আজিজুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক আসলাম আলী, ইউনিয়ন সাংগঠনিক সম্পাদক আসিক ইকবাল, জসিম উদ্দিন, জিল্লুর রহমান, মনিরুল ইসলাম মনু, আবুল কালাম, আমির হোসেন, আব্দুর রাজ্জাক, আবু তালেব, ইউনুস আলী, থানা ছাত্রদলের সভাপতি ফরাদ হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক সুজন মিয়া, থানা বিএনপি নেতা জালাল উদ্দিন লিটন, মোস্তাফিজুর রহমান মোরশেদুল আলম লিংকন, স্বেচ্ছাসেবক দলের ইউনিয়ন সভাপতি মান্দার আলী, জিল্লুর রহমান, কৃষক দলের নেতা জামাল উদ্দিন প্রমুখ।
এদিকে, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দর্শনায় এবছর একত্রে সকল কর্মসূচি পালন হবে না। তবে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পেশাজীবী সংগঠনগুলো নিজেদের উদ্যোগে জাতীয় পতাকা উত্তোলনসহ বিজয় দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে।
বিগত বছরগুলোতে দর্শনা পৌরসভার আয়োজনে সকল প্রতিষ্ঠান একত্রে বিজয় র্যালি, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, মুক্তিযোদ্ধা পতাকা উত্তোলন, শপথ বাক্য পাঠ করলেও এ বছর সেই ধারাবাহিকতা ভাঙবে। তারপরও মহান বিজয় দিবসে বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এ বছরের কর্মসূচির মধ্যে সকাল ৮টায় দর্শনা কেরুজ আনন্দবাজার স্মৃতিস্তম্ভে সকল সংগঠনের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা ও মুক্তিযোদ্ধা পতাকা উত্তোলন, পুষ্পমাল্য অর্পণ ও শপথ বাক্য পাঠ করা হবে।
এছাড়া, দর্শনা সাম্প্রতিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে বেলা ১১টায় বিজয় ফুল তৈরি, বেলা ৩টায় বিজয় র্যালি, সন্ধ্যা ৬টায় বিজয় সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান এবং দর্শনা শহীদ মিনারে বিজয় কনসার্টের আয়োজন করা হয়েছে।
