ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের ভেলকিবাজি : প্রচন্ড গরমে অতিষ্ট জনজীবন
নিজস্ব প্রতিবেদক/তিতুদহ প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুতের ভেলকিবাজিতে আর প্রচন্ড গরমে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে জনজীবন। একে তো গরমের দিন; তারপর মশার তান্ডব। এর উপরে বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কারণে কোথাও কোথাও ফসলি জমিতে সেচের পানি সরবরাহে বিঘœ ঘটছে। এতে করে পুরো এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। ইতিমধ্যে পল্লী বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং এলাকায় মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। রাতে ছাত্র/ছাত্রীদের পড়াশোনার ব্যঘাতসহ প্রচন্ড গরমে প্রতিনিয়তই অসুস্থ হয়ে পড়ছে শিশু ও বৃদ্ধরা। লোডশেডিংয়ের কারণে স্থানীয় ভূমি অফিস, কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন পরিষদ এবং সরকারি/বেসরকারী অফিসগুলোতে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে। গতকাল সোমবার এলাকায় সারাদিনই প্রায় বিদ্যুৎ ছিলনা বলে জানা যায়। এর আগে প্রতিদিনও দিনের বেলায় দুই থেকে পাঁচবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ছাড়াও জেলা শহরের কোথাও কোথাও ৫ থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকার অভিযোগ আসছে অহরহ। বর্তমানে সূর্যের প্রকট দাবদহে বিশেষ করে সেচ কাজে প্রভাব পড়েছে। আবার বিদ্যুতের অভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ হওয়ার উপক্রম। দিনে-দুপুরে সেচ পাম্প প্রায় বন্ধ থাকছে এতে করে সঠিক সময়ে ফসলে সেচ দিতে পারছেনা কৃষকেরা।
তিতুদহ খাড়াগোদা বাজারের ফল ব্যাবসায়ী আকিদুল ইসলাম জানান প্রায় প্রতিদিনই সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ থাকে না এতে করে স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারছে না। শুধু বাসায় নয় বিদ্যালয় ও কলেজ ছাত্র ছাত্রীরাও এই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। প্রতিদিন এক থেকে দেড় ঘণ্টা বিদ্যুতের এরকম ভেলকিবাজি দেখা দিচ্ছে। গরম আসার পর পরই শোডশেডিং দেখা দিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিতুদহের গ্রীসনগরের কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেছেন, গরম আসার পরপরই তাদের এলাকায় বিদ্যুৎ যেন আসা-যাওয়া লুকোচুরি খেলার মধ্যে রয়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যায় লোডশেডিংয়ে ছাত্রছাত্রীদের পড়ালেখায় মারাত্মক ক্ষতিকরে। গত কয়েকদিন যাবত গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এলাকার বিভিন্ন বাজারে বৃদ্ধি পেয়েছে এসি, ফ্রিজ, ফ্যানসহ শীতাতপনিয়ন্ত্রিত বৈদ্যুতিক মেশিনের ব্যবহার। এতে করে লোডশেডিংয়ের পরিমানও বেড়েছে প্রতিনিয়ত। এলাকাবাসীর চাওয়া উর্দ্ধতন কর্মকর্তা যদি অব্যহত লোডশেডিং বন্ধে সুনজর দেন তাহলে এলাকার শিক্ষার্থীসহ খেটে খাওয়া কৃষকেরা অধিকহারে উপকৃত হতে পারবে বলে মনে করছে এলাকার সচেতন মহল।
