ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতে ইসলামীর মাসিক ইউনিট সমাবেশে জেলা আমির রুহুল আমিন বলেছেন, ‘জেলা ইউনিটের প্রতিটি সদস্যের সাংগঠনিক মান থাকা আবশ্যক।’ গতকাল রোববার বেলা তিনটায় জামায়াতের জেলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সমাবেশ পরিচালনা করেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাড. আসাদুজ্জামান।
জেলা আমির রুহুল আমিন তাঁর বক্তব্যে আরও বলেন, ‘প্রতি মাসের জেলা সাংগঠনিক সমাবেশে মাসিক রিপোর্ট পেশ করতে হবে।’ এসময় তিনি জেলা পাঠাগার সমৃদ্ধ করার জন্য প্রতিটি সদস্যকে গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি আরও বলেন, ছাত্র-জনতার এই বিপ্লব স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের জন্য স্মরণীয় ও বরণীয় এক ঐতিহাসিক বিপ্লব। দীর্ঘ দেড়যুগের অপশাসন, দুঃশাসন, অত্যাচার, নির্যাতন ও নিপীড়নের অবসান হয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার আসার পর থেকেই বিভিন্নভাবে ছাত্র-জনতার এই অর্জনকে নস্যাৎ করার চেষ্টা চলছে। তা আমাদের প্রতিহত করতে হবে। সবসময় আমাদেরকে পাহারা দিতে হবে এই চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি যাতে আর ফিরে না আসে। সে জন্য দলমত নির্বিশেষে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করারও আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশের শুরুতে পবিত্র কুরআনের সুরা আল-বাইয়্যিনাহ থেকে দারস্ পেশ করেন ইউনিট সদস্য ড. রুহুল আমিন। এরপর গত মাসের কার্যবিবরণী পাঠ করেন জেলা সেক্রেটারি অ্যাড. আসাদুজ্জামান, যা সর্বসম্মতভাবে অনুমোদন করা হয়।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আজিজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি অ্যাড. মাসুদ পারভেজ রাসেল, আব্দুল কাদের এবং ইউনিট সদস্য অ্যাড. মুসলিম উদ্দিন, আব্দুর রউফ, মাওলানা লোকমান হোসাইন, মাওলানা মহিউদ্দিন, কামাল উদ্দিন, মাওলানা ইসরাইল হোসেন, জিয়াউল হক, মাওলানা হাফিজুর রহমান, আলতাফ হোসেন, মফিজুর রহমান, অধ্যাপক খলিলুর রহমান, নূর মোহাম্মদ হোসাইন টিপু, দারুস সালাম, মাহফুজুর রহমান, কাইয়ুম উদ্দিন হিরক এবং মীর আব্দুল জলিল।
