জীবননগরে শিক্ষক সুজন হত্যা মামলায় তিনজনকে কারাগারে প্রেরণ

আপলোড তারিখঃ 2024-10-30 ইং
জীবননগরে শিক্ষক সুজন হত্যা মামলায় তিনজনকে কারাগারে প্রেরণ ছবির ক্যাপশন:

জীবননগর পৌর কিন্ডারগার্টেন স্কুলের সহকারী শিক্ষক সুজন আলী (৩০) সমকামী ছিলেন। লুকিয়ে সম্পর্ক করতেন বিভিন্ন পুরুষের সঙ্গে। সম্প্রতি তিনি যৌন সম্পর্ক করেন মেদিনীপুর গ্রামের মৃত আনার মোল্যার ছেলে আব্দুর রাজ্জাক ওরফে রিজ্জাক (৫৫), শাখারিয়া গ্রামের মৃত ওয়াদ আলীর ছেলে মজিবর রহমান (৫০) ও মৃত আমিন উদ্দিনের ছেলে মহিউদ্দিন মহিদের (৫০) সঙ্গে। গত ৬ অক্টোবর ঘটনার দিন এই তিনজনের ডাকে সুজন আলী একটি নার্সারিতে যান, যেখানে মজিবর রহমান কাজ করতেন। এরপর পালাক্রমে তিনজন তাকে বলাৎকার করেন। এসময় সুজন তাদের বারবার ডাকা এবং একজনের গল্প আরেকজনকে বলা নিয়ে বাগবিতণ্ডায় জড়ান। এর একপর্যায়ে তারা সুজনের মাথায় আঘাত করে হত্যা করেন। পরে লাশ মেদিনীপুরের ঘাড়কাঠি বিলে কচুরিপানার নিচে চাপা দিয়ে গুম করেন।

কয়েকটি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। আবার সুজন আলী হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আব্দুর রাজ্জাক ওরফে রিজ্জাক আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে।
সূত্র আরও জানায়, সুজন আলীর পরিবার থানায় জিডি করলেও কেউ পর্যাপ্ত তথ্য দেয়নি। তবে পুলিশ আব্দুর রাজ্জাকসহ কয়েকজনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে সুজনের চারিত্রিক বিষয়ে কিছু তথ্য পেয়েছিল। এরপর থেকে তাঁদের সন্দেহভাজন হিসেবে নজরে রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে গত ২৬ অক্টোবর জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের মেদিনীপুর ঘাড়কাঠি মাঠের একটি বিল থেকে একটি লাশের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। ওই কঙ্কালের হাতে লাগানো রড থেকে পরিবার শনাক্ত করে সেটি সুজনের লাশ। পরে সেটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায় পুলিশ।

এদিকে সুজনের বড় ভাই বাদী হয়ে জীবননগর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। অপর দিকে লাশ উদ্ধারের পরপরই আত্মগোপনে চলে যান আব্দুর রাজ্জাক। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে জানাতে চাইলে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুন হোসেন বিশ্বাস বলেন, গত ২৬ অক্টোবর ঘাড়কাঠি বিলের কচুরিপানার ভেতর থেকে একটি লাশের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। কঙ্কালের হাতে লাগানো রড থেকে পরিবার শনাক্ত করে সেটি সুজনের লাশ। এদিকে লাশ উদ্ধারের পরপরই আব্দুর রাজ্জাক যশোরে পালিয়ে গিয়েছিলেন। তাকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মজিবর রহমান ও মহিউদ্দিন মহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরমধ্যে আব্দুর রাজ্জাক হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালতে তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)