ছবির ক্যাপশন:
উথলীতে ট্রেন দূর্ঘটনায় শিকার হাজী সাইদুর রহমান বিশ্বাস ধুন্দুর শারিরীক অবস্থা অপরিবর্তিত
নিজস্ব প্রতিবেদক: জীবননগর উথলীতে সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেন-প্রাইভেটকার দূর্ঘটনার শিকার বিএনপি নেতা হাজী সাইদুর রহমান বিশ্বাস ধুন্দুর শারিরীক পরিস্থিতির কোন পরিবর্তন হয়নি। দূর্ঘটনার ৩৬ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও তাঁর জ্ঞান না ফেরায় অনেকটা হতাশ হয়ে পড়েছেন স্বজনরা। ঢাকা ইউনাইটেড হাসপাতালের ২য় তলায় সিসিইউ-৩ (করোনারী কেয়ার ইউনিট) লাইফ সাপোর্টে রেখেও কোন উন্নতি বা অবনতির খবর নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তব্যরত চিকিৎসক। ইউনাইটেড হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, ‘এ দূর্ঘটনায় তিনি মাথায় মারাত্মক আঘাত পেয়েছেন। শরীরের অন্যান্য স্থানের আঘাত কাটানো গেলেও মাথায় কিছু করা যাবে না। বাকীটা আল্লাহ ভরসা।’ সাথে থাকা স্বজনরা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত তাঁর শারিরীক অবস্থার কোন পরিবর্তন ঘটেনি। শনিবার তাঁকে আরো উন্নত চিকিৎসার্থে সিংগাপুর নিয়ে যাওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়। তবে ইউনাইটেড হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শ মোতাবেক ৭২ ঘন্টার আগে তাঁকে কোথাও স্থানান্তরে ঝুকি আছে বলে জানা যায়।
এদিকে তাঁর সহধর্মীনি পারভীন সুলতানা বন্যা এখন পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত হলেও মাজার (মেরুদন্ডে) আঘাতের কারণে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি’র সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি, উথলী ইউনিয়ন পরিষদের একাধিকবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট পরিবহণ ব্যবসায়ী হাজী সাইদুর রহমান বিশ্বাস ধুন্দুর দূর্ঘটনার খবর মুঠোফোন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে ছড়িয়ে পড়লে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান ঢাকায় অবস্থানকারী চুয়াডাঙ্গা জেলার বিশিষ্ট জন, রাজনীতিবীদ, ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, নিকট আত্মীয়সহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার রাত ১০ টা ৪৪ মিনিটে উথলী থেকে সহধর্মীনী পারভীন সুলতানা বন্যাকে সাথে নিয়ে জীবননগরের বাড়িতে ফেরার পথে রেলগেটে ট্রেন-প্রাইভেটকার দূর্ঘটনার শিকার হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত জ্ঞানহীন অবস্থায় রয়েছেন হাজী সাইদুর রহমান বিশ্বাস ধুন্দু। সে সময় তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়। তিনি বর্তমানে ঢাকা ইউনাইটেড হাসপাতালের ২য় তলায় আইসিইউ-৩ কক্ষে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
