ঝিনাইদহ সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস দুর্নীতির আখড়া

আপলোড তারিখঃ 2024-08-20 ইং
ঝিনাইদহ সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস দুর্নীতির আখড়া ছবির ক্যাপশন:

ঝিনাইদহ সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। শিক্ষক নিবন্ধন থেকে পদায়ন, এমপিও থেকে নিয়োগ সবকিছুই হয় টাকার বিনিময়ে। জাল সনদে চাকরি প্রদান ও ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনও হয় অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে। আর এই কাজে সিদ্ধহস্ত ঝিনাইদহ সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার শেখ মোহাম্মাদ কামরুজ্জামান। ২০২১ সালের ১৮ অক্টোবর ঝিনাইদহ সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হিসেবে যোগদানের পর থেকে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন কামরুজ্জামান। ঘুষ ছাড়া ওই অফিসে কোনো কাজই হয় না। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন।
এদিকে, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মোশাররফ হোসেন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এমপিওভুক্ত করতে জাল সনদে ভুয়া নিয়োগ দেখিয়ে কোরাম পূর্ণ করেন। এই বিদ্যালয় এমপিওভুক্ত করতে অযোগ্য প্রধান শিক্ষককে অর্থের মাধ্যমে যোগ্য বানিয়ে এমপিও আবেদনে স্বাক্ষর করে ২৩ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন এমন কথা চাউর হয়েছে।

অনুসন্ধান করে জানা গেছে, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মধুহাটি ইউনিয়নের একটি স্কুলে অর্থের বিনিময়ে জাল সনদে চাকরি দিতে ম্যানেজিং কমিটির কাছে সুপারিশ করেন শিক্ষা অফিসার কামরুজ্জামান। এদিকে সারা দেশব্যাপী ‘পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডরি ইনস্টিটিউশনস’ (চইএঝও) প্রকল্পের ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রথম ধাপে সদর উপজেলার ১৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়। পাঁচটি খাতে এই টাকা বরাদ্দের কথা ছিল। কিন্তু সেই টাকা ভুয়া বিল ভাউচারে পকেটস্থ করা হয়েছে। শিক্ষা কর্মকর্তা সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনুদানপ্রাপ্ত স্কুল ও মাদ্রাসা থেকে ২০ হাজার টাকা সম্মানী হিসেবে নিয়েছেন বলে অভিযোগ। একইভাবে পিবিজিএসআই প্রকল্পের ২০২৩- ২৪ অর্থবছরে সদর উপজেলার অনুদানপ্রাপ্ত ৭টি স্কুল থেকেও অর্থ আদায় করেছেন তিনি।
সরেজমিনে তথ্য নিয়ে জানা যায়, সদর উপজেলার মধুহাটি ইউনিয়নের বেড়শুলা মাদ্রাসা ও হলিধানী আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির অনৈতিক সুবিধা পাইয়ে দিতে লাখ লাখ হাতিয়ে নিয়েছেন শিক্ষা অফিসার কামরুজ্জামান।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার শেখ মোহাম্মাদ কামরুজ্জামান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সঠিক নয়। আমি দুর্নীতি করি না, কাউকে করতেও দিই না।’

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা অফিসার আজহারুল ইসলাম জানান, নতুন যোগদানের কারণে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলাম না। তবে স্কুল নিয়ে জেলায় যদি কেউ দুর্নীতি করে, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। যদি কাউকে পাওয়া যায়, তবে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)