ছবির ক্যাপশন:
দামুড়হুদার কুতুবপুরে তুচ্ছ ঘটনায় দু’ভাইয়ের দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২
দামুড়হুদা প্রতিনিধি: দামুড়হুদা উপজেলার কুতুবপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের দু’পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের পর দু পক্ষের বাড়ি ঘর ভাংচুর করেছে দু’পক্ষ। পাল্টাপাল্টি হামলায় আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুপক্ষই দামুড়হুদার মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছে।
অভিযোগ সুত্রে সরেজমিনে তদন্তে এবং দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন থাকা নজু ফকির ও তার দুই ছেলে মামুন এবং মুরাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের কুতুবপুরে স্কুলপাড়ায় গত বুধবার সকাল ৮টার দিকে স্থানীয় একটি এনজিও ঋনের কিস্তি নিতে যায় নজরুল শাহের বাড়িতে। এসময় নজরুলের স্ত্রী এনজিও কর্মীদের বলে আমার কোন কিস্তি নেই তাই আপনারা আমাদের বাড়িতে থেকে চলে যান। এ কথাটার প্রতিবাদ করে বাড়ির পাশে থাকা মো. অজুর বাড়ির লোকজন। এরপর কথাকাটাটির এক পর্যায়ে তাদের ভিতর হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর কিছুক্ষণ পরে অজু গং দেশীয় অস্ত্র নিয়ে নজুরুল শাহের বাড়িতে ঢুকে পড়ে ঘরের ভিতর থাকা আসবাবপত্র ভাংচুর করে এবং বাড়ির ভিতর একটি লালন শাহের দরবার সাদৃশ্য ঘর ভাংচুর করে। নজুর ছেলে মামুনকে এলোপাতাড়ি কুপাতে থাকে সমস্ত শরীরে। মামুন এখন দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে।
অভিযোগ উঠেছে, ঘরের ভিতর থাকা নগদ ৫৯ হাজার টাকা ছিনিয়েছে অজু গং। এর কিছুক্ষণ পরে নজু শাহ গং অজুর বাড়িতে হামলা চালায় এবং অজুর বাড়ির আসবাবপত্র ভাংচুর করে। অজুর ঘরে থাকা ৮০ হাজার টাকা লুট করার অভিযোগ উঠেছে। নজরুল শাহ বলেন, আমি জেলা লালন সংগঠনের সম্পাদক আমি নিজে আমার বাড়িতে একটা লালনের দরবার ঘর তৈরী করেছি। এই দরবার ঘরটি তারা ভাংচুর করেছে। আমি জেলার সকল লালন ভক্তদের আমার পাশে দাড়ানোর আহবান করছি। মারামারির ঘটনায় আমার ছেলে হাসপালের কেবিনে মৃত্যুর সাথে পান্জা লড়ছে। এদিকে অজু জানান, আমার ঘর থেকে নজুসহ তার দলবল আমার ঘরে থাকা ৮০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে। আমাকে ও আমার ছেলেকে রড দিয়ে পিটিয়েছে। এঘটনায় উভয় পক্ষ দামুড়হুদা থানায় মামলা দায়ের করেছে। উভয় পক্ষের মামলার বিষয়টি দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জিহাদ ফখরুল নিশ্চিত করেছেন।
