ছবির ক্যাপশন:
সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের দুর্নীতি নিয়ে দেশে-বিদেশে ব্যাপক তোলপাড় চলছে। সবার চোখ এখন এই দুই হেভিওয়েট ব্যক্তির দিকে। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের এ দুই কর্মকর্তা দায়িত্ব থাকাকালীন নিজেদের পদের অপব্যবহার করে যে মাত্রার দুর্নীতি করেছেন, তাতে স্তম্ভিত দেশ-বিদেশের নানা মহল। সর্বত্রই এখন প্রশ্ন এ দুই কর্মকর্তাকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে কি না। এসব বিষয়ে উৎসুক মানুষ তাকিয়ে আছে সরকারের দিকে। এদিকে, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের দুর্নীতি অনুসন্ধান চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী। গতকাল বুধবার দুর্নীতি দমন কমিশন চেয়ারম্যান বরাবর আইনজীবী সালাহ উদ্দিন রিগ্যান এ নোটিস পাঠান।
নোটিসে বলা হয়েছে, দুর্নীতির অভিযোগে আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্ট জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী’ ও বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। জাতিসংঘের শান্তি মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে। দেশের সাধারণ জনগণের সেনাবাহিনীর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস ক্ষুণ্ন করে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় দুর্নীতি দমন কমিশন এত বড় অভিযোগ প্রকাশিত হওয়ার পরও অনুসন্ধানের উদ্যোগ গ্রহণ করে নাই। যা দুদকের নিষ্ক্রিয়তা। আইনজীবী সালাহ উদ্দিন রিগ্যানের আবেদনের পর দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ জানিয়েছেন, আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ সিডিউলভুক্ত হলে অনুসন্ধানের জন্য আমলে নেওয়া হবে। অপর দিকে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী-সন্তানের নামে বিদেশে কোনো সম্পদ আছে কি না, সেই খোঁজও শুরু করেছে দুদক। সংস্থাটির পক্ষ থেকে বিদেশে সম্পদের খোঁজ নিতে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে (বিএফআইইউ) চিঠি দেওয়া হয়েছে।
দেশ থেকে অর্থ পাচার ঠেকাতে নীতিমালা প্রণয়ন ও সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে বিএফআইইউ। সংস্থাটি ‘এগমন্ট গ্রুপ’ নামের একটি ফোরামের সদস্য। এই ফোরাম বিশ্বের ১৭০টি দেশের সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত, যারা অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়নসংক্রান্ত তথ্য নিয়ে কাজ করে। এর মধ্যে বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী ও তিন মেয়েকে তলব করেছে দুদক। সূত্র জানায়, আগামী ৬ জুন বেনজীর আহমেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে। তার স্ত্রী জীশান মীর্জা ও তিন মেয়েকে ডাকা হয়েছে ৯ জুন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কমিশনের কাছে আবেদন করেছিল সংস্থাটির অনুসন্ধান দল। গত মঙ্গলবার তাদের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেয় কমিশন। পরে বেনজীর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের তলব করা হয়।
জেনারেল আজিজ ও আইজিপি বেনজীরের দুর্নীতি তদন্তের এইসব প্রক্রিয়া যখন শুরু হয়েছে, তখন সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে সরকার কাউকে কোনো আশ্রয়-প্রশ্রয় দেবে না। গতকাল বুধবার আজিজ-বেনজীরের দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেছেন, ‘সরকার কোনো রকম প্রটেকশন কাউকে দেবে না। আইন নিজের গতিতে চলবে।’ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সালমান এফ রহমান এ প্রতিক্রিয়া জানান। এর আগে এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও একই ধরনের মন্তব্য করেছেন। সালমান এফ রহমান বলেন, ‘আমাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, কেউ যদি আইন ভঙ্গ করে তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখানে সরকার বিব্রত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি না। আইন নিজের গতিতে চলবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যতই ইনফ্লুয়েন্সিয়াল হোক না কেন, সরকার কোনো রকম প্রটেকশন কাউকে দেবে না। আইন অনুযায়ী আইন নিজের গতিতে চলবে।’
দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৩ মে (বৃহস্পতিবার) ঢাকা মহানগর আদালতের সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী, তিন মেয়ে ও এক স্বজনের নামে থাকা ৩৪৫ বিঘা (১১৪ একর) জমি ক্রোক বা জব্দের আদেশ দেন। একই দিন বেনজীর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের নামে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকে থাকা ৩৩টি ব্যাংক হিসাব (অ্যাকাউন্ট) অবরুদ্ধ করার আদেশ দেওয়া হয়। এরপর গত ২৬ মে (রোববার) আদালত বেনজীর আহমেদের স্ত্রী জীশান মীর্জার নামে থাকা মাদারীপুরে ২৭৬ বিঘা (৯১ একর) জমি এবং বেনজীর পরিবারের নামে থাকা গুলশানের চারটি ফ্যাট জব্দের আদেশ দেন। একই দিন বেনজীর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের নামে থাকা ১৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও তিনটি বিও হিসাব (শেয়ার ব্যবসা করার বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট) এবং ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র অবরুদ্ধ করার আদেশ দেওয়া হয়। সাভারে তাদের কিছু জমিও পড়েছে একই আদেশের মধ্যে।
গত মঙ্গলবার থেকে বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী-সন্তানদের স্থাবর সম্পদ জব্দ ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ কার্যকর করা শুরু হয়েছে। দুদকের পিপি মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর জানান, বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা জমি যাতে হস্তান্তর না হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট জেলার সাব-রেজিস্টার বরাবর আদালতের জব্দের আদেশ পাঠানো হয়েছে। ব্যাংক হিসাবের অর্থ যাতে হস্তান্তর বা রূপান্তর না হয়, সে জন্য আদালতের আদেশ পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককেও। বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইজিপি ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার ও র্যাবের মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে র্যাবের সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। ওই সময় র্যাবের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের পাশাপাশি এই বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তারাও নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিলেন। যার মধ্যে বেনজীর আহমেদের নামও ছিল। যুক্তরাষ্ট্র যখন নিষেধাজ্ঞা দেয়, তখন আইজিপির দায়িত্বে ছিলেন বেনজীর আহমেদ। অবশ্য নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই ২০২২ সালের আগস্টে বেনজীর আহমেদ জাতিসংঘের পুলিশপ্রধান সম্মেলনে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যান। তবে সম্মেলনের কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার বাইরে ওই সফরে যুক্তরাষ্ট্রের অন্য কোথাও তিনি যেতে পারেননি।
অন্যদিকে, দুর্নীতিতে সম্পৃক্ততার অভিযোগে সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের ওপর গত ২০ মে (সোমবার মধ্যরাতের পর) নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আজিজ আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে অযোগ্য ঘোষণার কথা জানানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলারের ওই বিবৃতিতে বলা হয়, উল্লেখযোগ্য দুর্নীতিতে সম্পৃক্ততার কারণে সাবেক জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ এবং তার পরিবারের সদস্যরা সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য অযোগ্য হবেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তার (আজিজ আহমেদ) কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের অবমূল্যায়ন এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান ও প্রক্রিয়ার ওপর জনগণের আস্থা কমেছে। আজিজ আহমেদ তার ভাইকে বাংলাদেশে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহি এড়াতে সহযোগিতা করেন। এটা করতে গিয়ে তিনি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য দুর্নীতিতে জড়িয়েছেন। এছাড়া অন্যায্যভাবে সামরিক খাতে কন্ট্রাক্ট পাওয়া নিশ্চিত করার জন্য তিনি তার ভাইয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন। তিনি নিজের স্বার্থের জন্য সরকারি নিয়োগের বিনিময়ে ঘুষ নিয়েছেন।
আজিজ ও বেনজীরের দুর্নীতি এখন আন্তর্জাতিক মহলে আলোচিত হচ্ছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে মোতায়েন করা শান্তিরক্ষীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের রেকর্ড আছে বলে জার্মান সম্প্রচারমাধ্যম ডয়চে ভেলের একটি তথ্যচিত্রে সম্প্রতি অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে উঠে এসেছে গত সোমবার। এক ব্রিফিংয়ে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেছেন, দুর্নীতি দমন ইস্যুটি মার্কিন নিরাপত্তা স্বার্থের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। দেশটি বলছে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শান্তি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে শান্তিরক্ষা মিশন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপালন করে। এছাড়া ডয়চে ভেলের সাম্প্রতিক তথ্যচিত্রের মতো প্রতিবেদন সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র অবগত বলেও জানান তিনি।
নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, জার্মানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে, সাডেচ সায়েতিং এবং সুইডেনভিত্তিক গণমাধ্যম নেত্র নিউজের যৌথ তদন্তে জানা গেছে, র্যাবের সাবেক এবং বর্তমান সদস্যরা নিয়মিতভাবেই জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী হিসাবে শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োগ পাচ্ছেন। চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে যুক্তরাষ্ট্র যেখানে র্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সেই প্রেক্ষাপটে এই বাহিনীর সদস্যদের যেভাবে শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োগ দেওয়া অব্যাহত রয়েছে, সে বিষয়ে আপনারা কতটা উদ্বিগ্ন? কারণ যুক্তরাষ্ট্র তার দেশের জনগণের ট্যাক্সের আয় থেকে শান্তিরক্ষা বাহিনীর মোট খরচের প্রায় ২৭ শতাংশ যোগান দিয়ে থাকে।
জবাবে ম্যাথিউ মিলার বলেন, এই রিপোর্টগুলো সম্পর্কে আমরা অবগত। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার উন্নয়নে শান্তিরক্ষা কার্যক্রম অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে এবং শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত কর্মীদের মানবাধিকার রক্ষা করা অপরিহার্য। ইউএন ডিউ ডিলিজেন্স পলিসি অনুসারে, জাতিসংঘ এক্ষেত্রে সৈন্য এবং পুলিশ প্রেরণকারী দেশগুলোর নিজস্ব প্রত্যয়নের ওপর নির্ভর করে যে, তারা (সংশ্লিষ্ট দেশ) মানবাধিকার লঙ্ঘন বা আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের সাথে জড়িত সেনা বা পুলিশ সদস্যদের শান্তিরক্ষা মিশনে পাঠাচ্ছে না। পৃথক এক প্রশ্নে ওই সাংবাদিক জানতে চান, বাংলাদেশের সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদের ব্যাপক দুর্নীতির বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দুটি মার্কিন নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আপনি কি আমাদের বলতে পারেন, কোনও মার্কিন সংস্থা যুক্তরাষ্ট্রে বা অন্য কোনও দেশে তার কোনো সম্পদের খোঁজ পেয়েছে কিনা এবং (যদি পাওয়া যায়) যুক্তরাষ্ট্র সেসব সম্পদ জব্দ করেছে কিনা? একইভাবে, আপনার কাছে কি দুর্নীতিগ্রস্ত সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ সম্পর্কে কোনো তথ্য আছে, সম্প্রতি আপনারা তার বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। আপনারা কী বর্তমান সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেবেন? কারণ ক্ষমতাসীন শীর্ষ নেতৃত্বের কাছ থেকেই তারা অবাধে যা কিছু করতে চায় তা- ই করার সুযোগ পেয়েছেন।
জবাবে ম্যাথিউ মিলার বলেন, আপনার প্রথম প্রশ্ন প্রসঙ্গে বলব, আমার কাছে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করে বলার মতো মতো কোনও তথ্য নেই। দ্বিতীয় প্রশ্নটির উত্তরে বলব, আপনার উল্লেখ করা অভিযোগ এবং মিডিয়া রিপোর্ট সম্পর্কে আমরা অবগত। মিলার বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট করেই বলেছি, এই প্রশাসনের শুরু থেকেই আমরা দুর্নীতিবিরোধী নীতিকে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছি। বিশদ এই কৌশলটির পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসাবে শীর্ষ পর্যায়ের কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই নিয়ে এখন ঘোষণা করার মতো নতুন কিছুই আমার কাছে নেই। আপনি জানেন, নিষেধাজ্ঞা দেওয়া বা অন্যান্য পদক্ষেপ নেওয়ার আগে আমরা কখনোই তা আগাম ঘোষণা করি না।’
