ছবির ক্যাপশন:
ঈদের ৭ম দিনেও দর্শনায় ঢাকাগামী বাস-ট্রেনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়
ওয়াসিম রয়েল: মসুলমানদের ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে বছরে দুইটি ঈদ। আর এই ঈদের আনন্দ মা-বাবা, ভাই-বোন, ছেলে-মেয়ে, আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী সকলে একসাথে ভাগাভাগি করে নেয়। ফলে চাকুরী ও ব্যবসা ছেড়ে দূর-দুরান্ত থেকে নাড়ির টানে ছুটে আসে গ্রামের বাড়িতে। অনেকেই ঈদুল ফিতর অর্থাৎ রোজার ঈদে না আসলেও, ঈদুল আযহা তথা কোরবানী ঈদে প্রায় সকলেই গ্রামের বাড়িতে আসেন কোরবানী দেয়ার উদ্যেশ্যে। ছুটে আসেন সকলের ছোট বেলার স্মৃতি জড়ানো গ্রামের বাড়িতে। ঈদের আনন্দ শেষে সকলে আবার কর্মস্থলে ফিরে যেতে শুরু করেছে। তবে ঈদের ৭ম দিনেও চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় রেলষ্টেশন ও বাসস্ট্যান্ডে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে।
নিজেদের গন্তব্যে পৌছাতে ট্রেনে ও বাসে যাত্রীদের প্রচন্ড ভিড়।
বেশ কয়েকজন যাত্রী বলেন, যারা সরকারি ও বেসরকারি চাকুরী করে, তারা শুক্রবার ও শনিবার ছুটি থাকায় শনিবারে গন্তব্যে পৌছালে রবিবার ভালোভাবে অফিস করতে পারবে। এরই প্রেক্ষিতে গতকাল শনিবার দর্শনায় হল্ট স্টেশনে ব্যাপক পরিমানে ভিড় লক্ষ করা গেছে। পরিবহনগুলোতে আসন সংখ্যার সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে বেশি সাধারন মানুষের আনাগোনা দেখা না গেলেও, জেআর পরিবহন, দর্শনা ডিলাক্স, সোনার তরী, রয়েল এক্সপ্রেস ও পুর্বাশা পরিবহন কাউন্টার গুলোতে যথেষ্ঠ যাত্রীদের চাপ ছিলো। আসন না পেয়ে অনেক যাত্রী ইঞ্জিনকভারে ও বাসের মধ্যে চেয়ার পেতে বসেও গন্তব্যে ফিরতে দেখা গেছে। এদিকে ট্রেনে উপচে পড়া ভিড়ের কারনে সঠিক সময়ের মধ্যে ট্রেনে উঠতে না পারায় অনেক যাত্রী পড়েছে বিপাকে। তবে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকার অভিমুখে যাওয়া চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিট থাকা সত্বেও ভিড়ের কারণে বেশ কয়েকজন মহিলা যাত্রী ট্রেনে উঠতে পারেনি। এ বিষয়ে দর্শনা হল্ট স্টেশন মাস্টার তুষার বলেন আগামী ১৬ তারিখ পর্যন্ত এ ধরনের ভিড় থাকতে পারে।
