ছবির ক্যাপশন:
জীবননগর উপজেলার একতারপুর গ্রামের রমজান আলীর ছেলে সোনা মিয়া (২৭) সাত বছর প্রেমের সম্পর্ক করে চার বছর আগে বিয়ে করেন খোরশেদের মেয়ে খুশি খাতুনের সঙ্গে। খুশি একজন মেডিকেল অ্যাসিসট্যান্ট হিসেবে চাকরি করেন। আর সোনা মিয়া বেকার ছিলেন। গত ৯ মাস ধরে খুশি খাতুন বাবার বাড়িতে থাকতেন। গত চার দিন আগে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এটা সোনা মিয়া মেনে নিতে পারেননি। তাই গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে তিনি শ্বশুরের কাঠের দোকানে আগুন ধরিয়ে দেন। জীবননগর পৌরসভার বসতিপাড়ার মো. খেজমত আলীর ছেলে মো. শামীম হোসেন তাকে সহযোগিতা করেন। এতে পাশের আরও ৫টি দোকান পুড়ে ১ কোটি টাকার ক্ষতি হয়। এর আগে শ্বশুরের রান্নাঘরে আগুন লাগিয়ে দেন সোনা মিয়া। গত বুধবার গ্রেপ্তারের পর পুলিশের কাছে এসব কথা জানিয়েছেন সোনা মিয়া। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা তিনটার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার আর এম ফয়জুর রহমান।
পুলিশ সুপার বলেন, গত মঙ্গলবার আগুনে ৬টি দোকান পুড়ে ১ কোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়। এ ঘটনায় গত বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জীবননগর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত দোকানিদের একজন মো. শহিদ। পরে সেটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়। আর জীবননগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. একরামুল হোসাইন, পরিদর্শক (এসআই) দিপু মন্ডল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেন। পরে সিসি ফুটেজ পর্যালোচনা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোনা মিয়া ও আগুন লাগিয়ে দেওয়ার সময় তার সহযোগিতা করা জীবননগর পৌরসভার বসতিপাড়ার মো. খেজমত আলীর ছেলে মো. শামীম হোসেনকে (২৯) গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, পুলিশ ঘটনার সময় পরে থাকা সোনা মিয়ার প্যান্ট-শার্ট এবং একটি লাল রঙের ১০০ সিসি হিরো মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে।
