ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গার মসজিদে মসজিদে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য্যরে মধ্যদিয়ে জুমাতুল বিদা পালিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার পবিত্র মাহে রমজানের চতুর্থ ও শেষ জুমার নামাজে জেলার প্রায় সব মসজিদেই মুসল্লিদের ঢল নামে। এদিন জুমার আজানের আগে থেকেই মসজিদের দিকে যাওয়া শুরু করেন শিশু-কিশোর, যুবক, বৃদ্ধসহ সব বয়সী মানুষ। আজানের পর থেকে শহরের মসজিদগুলোর কাতার ভরতে শুরু করে। জুমার নামাজ আদায়ের পর মোনাজাতে দেশ-জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও শান্তি কামনা করে দোয়া করেন ইমাম-খতিব ও মুসল্লিরা।

রমজান মাসের শেষ জুমার দিন মুসলিম বিশ্বে ‘জুমাতুল বিদা’ হিসেবে পালন করা হয়। প্রতিবারের মতো গতকালও এ জেলার মসজিদে মসজিদে ছিল মুসল্লিদের ভিড়। রোদের দাবদাহ উপেক্ষা করে সমজিদের বাইরেও নামাজ আদায় করেছেন তারা। এদিন জুমার নামাজের সময় চুয়াডাঙ্গা জেলা মডেল মসজিদ, পৌর মডেল মসজিদ, বড় বাজার জামে মসজিদ, থানা মসজিদ, পৌরসভা জামে মসজিদ, জান্নাতুল মাওলা কবরস্থান জামে মসজিদসহ শহরের বিভিন্ন মসজিদে মুসল্লিদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। নামাজের আগে প্রতিটি মসজিদেই ধর্মীয়, সামাজিক ও রমজানের তাৎপর্যসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে বয়ান রাখেন মসজিদের ইমাম ও খতিবরা।
এছাড়াও, কোর্ট জামে মসজিদে নামাজের আগে জুমাতুল বিদার তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। জুমার খুতবায় ইমাম রুহুল আমিন বলেন, রমজান মাসের শেষ জুমাকে জুমাতুল বিদা হিসেবে পালন করা হয়। জুমাতুল বিদা দ্বারা রমজানের শেষ জুমা বোঝানো হয়। জুমাতুল বিদা রমজানের অন্যান্য জুমার মতোই ফজিলত রাখে।

জেলা মডেল মসজিদে নামাজ পড়তে এসছিলেন ব্যবসায়ী হুমায়ুন কবীর রিমু। তিনি বলেন, রমজানের শেষ জুমায় গুনাহের মার্জনা চাইতেই সবার সঙ্গে নামাজে শরিক হয়েছি। ইহকাল ও পরকালের মুক্তি কামনায় সারাদেশে পবিত্র জুমাতুল বিদা পালিত হচ্ছে। নামাজ শেষে নিজের পরিবারের সদস্যদের হেফাজত ও মৃত স্বজনের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মোনাজাত করেছি।
নামাজ শেষে সব মসজিদে জুমাতুল বিদা উপলক্ষে বিশেষ মোনাজাতে মুসলিম উম্মাহের জন্য এবং বিশ্ব শান্তির জন্য দোয়া করা হয়। এতে সবার গুনাহ মাফ, আখিরাতে মুক্তি, দেশ ও মুসলিম জাতির শান্তি কামনা করেন মুসুল্লিরা। এছাড়া অনেকে নফল নামাজ আদায়ের পর নিজের পরিবার ও মৃত আত্মীয়-স্বজনের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দান-খয়রাত করেন।
