ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গার কৃতী সন্তান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তারা দেবী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান দিলীপ কুমার আগরওয়ালা প্রথম রোজা থেকে মাসব্যাপী ইফতার ও সেহরি বিতরণ কর্মসূচি শুরু করেছেন। যা এখনো চলমান এবং শেষ রোজা পর্যন্ত চলবে।
যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের পরিচালনায় চলমান এই কর্মসূচি চুয়াডাঙ্গা জেলাজুড়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছে। বিশেষ সমাজের সচেতন মহল দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন এই কর্মসূচির কারণে। পবিত্র রমজানের প্রথম দিনেই চুয়াডাঙ্গা শহরের প্রাণকেন্দ্র শহিদ হাসান চত্বরসহ বিভিন্ন পয়েন্টে ফ্রি-ইফতার বিতরণসহ তার আগের রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল চত্বর ও শহরে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সেহরির বিতরণের মাধ্যমে এ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন দিলীপ কুমার আগরওয়ালা।
গতকাল বুধবারও শহিদ হাসান চত্বরে ইফতার বিতরণকালে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, পবিত্র রমজানে গরীব-অসহায়সহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ফ্রি সেহরি ও ইফতার বিতরণ আমি প্রতিবারই করে থাকি। তারই ধারাবাহিকতায় এবারও ফ্রি সেহরি ও ইফতার বিতরণ করছি। আমার মতো সমাজের সব বিত্তবানরা যদি এভাবে এগিয়ে আসতো, তাহলে গরীব-অসহায় মানুষের রোজার মাসটা খুব ভালো যেতো। আমি এই পবিত্র মাসে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।

দিলীপ কুমার আরও বলেন, এই সেহরি ও ইফতার বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগ। যা সত্যিই সমাজে ভালো বার্তা পৌঁছে দেবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা এভাবে গড়ে উঠেছে। আর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে উঠছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমি স্মার্ট চুয়াডাঙ্গা গড়তে বদ্ধপরিকর। আর ফ্রি ইফতার ও সেহরি বিতরণ কার্যক্রম এরই অংশ। যা অব্যাহত থাকবে।
তারা দেবী ফাউন্ডেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর কবির শিপলুর তত্ত্বাবধানে ফ্রি সেহরি ও ইফতার বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি জাবিদুল ইসলাম জাবিদ। পুরো কর্মসূচির সহযোগিতায় আছেন জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সাবেক চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান জিল্লু। এছাড়া স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করছেন বলেও জানা গেছে।
