ছবির ক্যাপশন:
জীবননগর অফিস:
জীবননগরে ফেনসিডিল ভাগাভাগি করা নিয়ে দ্বন্দ্বে সীমান্ত ইউপি সদস্য আব্দুল মেম্বারকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার দুপুরে জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের হরিহরনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার দুপুরে মেদেনীপুর গ্রামের আব্দুল মেম্বার মাতাল অবস্থায় হরিহরনগর গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী মোকি ও আলমগীরের বাড়িতে যেয়ে ফেনসিডিলের ভাগ নিয়ে গালিগালাজ করেন। এসময় মোকি ও আলমগীর মিলে আব্দুল মেম্বারকে মারধর করে। এ বিষয়ে মোকির সাথে কথা বলার জন্য চেষ্টা করা হলে তাকে না পাওয়ায় তার বড় ভাবির সাথে কথা হয়। তিনি জানান, ‘আব্দুল মেম্বার মাতাল অবস্থায় আমাদের বাড়িতে আসে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। আমরা তাকে নিষেধ করলে সে আমাদের ওপর আক্রমণ করার চেষ্টা করে। অবশেষে বাধ্য হয়ে মোকি তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।’
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, আব্দুল মেম্বার সীমান্ত ইউনিয়নের একজন চিহ্নিত মাদক ও চোরাকারবারী। তিনি বেশ কয়েকবার বিজিবির হাতে আটকও হয়েছে। আব্দুল মেম্বার ও স্থানীয় এক নেতা মিলে প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আমিনুর, রিংকু, বাবু, আমান, মজনু, ফিরোজ, রাজু, সুমন, সাইফুল ও কালুকে নিয়ে একটি মাদকের স্বর্গ রাজ্য তৈরি করেছেন।
হরিহরনগর গ্রামের আরজাম মেম্বার বলেন, ‘আব্দুল মেম্বারকে মারধর করেছে, এটা আমি শুনেছি। কিন্তু কী কারণে মেরেছে, এটা আমি জানি না।’ এ বিষয়ে আব্দুল মেম্বার বলেন, ‘মোকি ও আলমগীর এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। গত দুই দিন আগে তাদের ৭ পাতা ফেনসিডিল কে বা কারা পুলিশের কাছে ধরিয়ে দিয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে মোকি ও আলমগীর আমাকে দোষারোপ করছে। আমি তাদের বাড়িতে যেয়ে বিষয়টি বললে তারা আমাকে মারধর করে।’
৪ নম্বর সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইসাবুল ইসলাম মিল্টন বলেন, ‘আব্দুল মেম্বারকে মারধর করেছে, এ বিষয়টি আমি গ্রামের মানুষের কাছে শুনেছি।’ জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাসির উদ্দিন মৃধা বলেন, সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের একজন ইউপি সদস্যকে মারধর করেছে, এমন একটা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে, তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
