টানা বর্ষণে প্লাবিত দামুড়হুদার গোপালপুর-লক্ষীপুরের হাজার বিঘা ফসল

আপলোড তারিখঃ 2017-07-22 ইং
টানা বর্ষণে প্লাবিত দামুড়হুদার গোপালপুর-লক্ষীপুরের হাজার বিঘা ফসল ছবির ক্যাপশন:
টানা বর্ষণে প্লাবিত দামুড়হুদার গোপালপুর-লক্ষীপুরের হাজার বিঘা ফসল গোপালপুরের খাল ভরাটের কারনে পানিবন্দি কয়েকশ পরিবার রোকনুজ্জামান রোকন: কয়েক দিনের টানা বর্ষণে প্লাবিত দামুড়হুদার গোপালপুর-লক্ষীপুরের হাজার হাজার বিঘা ফসল। গোপালপুরের খাল ভরাটের কারনে পানি বন্দি কয়েকশ পরিবার। ফসল প্লাবিত ও পানি বন্দি হওয়ার মূল কারন হিসাবে ধরা হচ্ছে খাল ভরাট করাকে। অত্র এলাকার পানি নিষ্কাশনের একমাত্র খালটি এখন মৃত প্রায়। সরকারি খালটি সংস্কার না করার কারনে এখন যে যার মত ব্যবহার করছে এমটিই জানালেন এলাকাবাসি। এই গ্রামের কয়েকজন চাষি চোখের পানি ফেলতে ফেলতে বলেন, আজ যদি আমাদের গ্রামের খালটি সচল থাকতো তাহলে আমাদের এতো পরিশ্রমের ফসল বিফলে যেত না। ডুবতো না আমাদের ধান, কুমড়া শাকসবজি। খালটি সংস্কার হলে হয়তো এমনটি হতো না। অন্যদিকে কয়েক দিনের টানা বর্ষণে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে গ্রামের দুই শতাধিক পরিবার। গোপালপুর, লক্ষীপুর, ইব্রাহিমপুর কলাবাড়ী, রামনগরসহ আশপাশের গ্রামের মাঠের ধান, মিষ্টি কুমড়া, বেগুনসহ সকল আবাদী ফসল ও শাকসবজি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। গোপালপুর গ্রামের বর্গাচাষি আলামিনের সাথে কথা বলে জানা যায়, গোপালপুরসহ আশপাশ অঞ্চলের প্রায় দুই হাজার বিঘা আবাদী ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। চাষি শাহিনের সাথে কথা বলে সে জানায়, এই অঞ্চলের প্রায় পাঁচশত বিঘা শাকসবজি প্লাবিত হয়েছে। তিনি আরো জানান এ ফসল গুলো প্লাবিত হওয়ার একটাই কারন খাল দিয়ে পানি প্রবাহিত না হওয়া। গ্রামের সকল মাঠের পানি প্রবাহিত হতো এখালের মাধ্যমে। তাই গ্রামের ছোট থেকে বৃদ্ধ পযন্ত সকলের প্রাণের দাবি খালটি সংস্কার করে গ্রামের অসহায় দরিদ্র মানুষগুলোকে বাঁচানোর জন্য। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করে চাষিদের পাশে দাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে সচেতন মহল।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)