ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘আওয়ামী লীগকে ক্ষতি করবেন না। খারাপ লোককে দলে ভেড়াবেন না। দল ভারী করে কোনো লাভ নেই। পদে না থাকলে কেউ সালামও দেবে না। ক্ষমতায় না থাকলে দাপট চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাবে।’
নেতাদের ‘খাই খাই ভাব’ পরিহার করার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘খাই খাই ভাব’ কর্মীদের মধ্যে নেই। কিন্তু নেতাদের মধ্যে আছে। নেতাদের এই ‘খাই খাই ভাব’ পরিহার করতে হবে।
খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে আওয়ামী লীগের খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। গতকাল রোববার বেলা ১১টার দিকে এ প্রতিনিধি সভা শুরু হয়।
নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি মন্ত্রী। আমার এপিএস, ভাই এবং আত্মীয়স্বজন যদি অপকর্ম করে, তবে আমি কি ভালো মানুষ? তাই আমি বলব, হয় এদের সংশোধন করুন, নাহয় এদের পরিহার করুন। গুটিকয়েক মানুষের জন্য আওয়ামী লীগের রাজনীতি কলুষিত হতে পারে না।’
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপিকে নিয়ে মাথা ঘামানোর কিছু নেই। তারা এখন নালিশ পার্টিতে পরিণত হয়েছে। তারা বলেছিল ঈদের পর আন্দোলন করবে। কিন্তু কোথায় তাদের আন্দোলন? ঈদ তো কবেই শেষ হয়েছে। এভাবে দেখতে দেখতে আট বছর হয়ে গেল। কিন্তু আন্দোলন আর কবে হবে? তাদের মরা গাঙে আর জোয়ার আসবে না। যে দল আন্দোলনে পরাজিত হয়, তারা বিজয়ী হতে পারে না। এটাই হলো ইতিহাস।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য পীযূষ কান্তি ভট্টাচার্য। সম্মানিত অতিথি ছিলেন বাগেরহাট-১ আসনের সাংসদ শেখ হেলাল উদ্দিন, দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আব্দুর রহমান এমপি, খুলনা বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহামুদ স্বপন, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, আমিরুল ইসলাম মিলন ও পারভীন আক্তার কল্পনা। সম্মেলন পরিচালনা করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য এস এম কামাল হোসেন।
প্রতিনিধি সভায় আরো বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগ’র সভাপতি জাতীয় সংসদের হুইপ সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন এমপি, জেলা আ.লীগের সাধারন সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগ’র সভাপতি আব্দুল হাই এমপি, সাধারন সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু, মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগ’র সভাপতি ফরহাদ হোসেন দোদুল এমপি, সাধারন সম্পাদক এম.এ খালেক, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগ’র সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারন সম্পাদক আসগর আলী এমপি, যশোর জেলা আওয়ামী লীগ’র সভাপতি বকুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক শাহীন চাকলাদার, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ’র সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক এমপি, সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান এমপি, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ’র সভাপতি হারুন অর রশিদ, বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগ’র সভাপতি ডা. মোজাম্মেল হোসেন এমপিসহ নড়াইল, মাগুরা ও সাতক্ষীরা জেলা আ.লীগের সভাপতি-সম্পাদক।
