ছবির ক্যাপশন:
তীব্র শীত আর উত্তরের হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চুয়াডাঙ্গার জনজীবন। স্থবিরতা দেখা দিয়েছে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক কাজকর্মে। চুয়াডাঙ্গায় গতকাল রোববার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাত থেকে সকাল ১০-১১টা পর্যন্ত আবহাওয়া পরিস্কার থাকলেও কনকনে শীতে খেটে খাওয়া মানুষসহ প্রাণীকূলের নেমে এসেছে কষ্ট। তবে সব থেকে বেশি কষ্টে পোহাচ্ছে খেটে থাওয়া মানুষ। এ ক্ষেত্রে যানবাহন, কৃষিখেত ও কলকারখানায় যাঁরা কাজ করেন, তাঁরা বিপদে আছেন। নিতান্ত বাধ্য হয়েই রুটি-রুজির তাগিদে বাইরে যেতে হচ্ছে তাঁদের। কনকনে শীতে জেলার হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, জ্বর, পেটের পিড়াসহ শাষকষ্ট রোগের রোগী বৃদ্ধি পেয়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন, দিনে ও রাতের বেলায় তাপমাত্রা কম থাকায় জনজীবনে বেশি বেশি শীত অনুুভূত হচ্ছে। একারণে শিশুসহ সব বয়সের রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
