১১ মাসে আড়াই কোটি টাকা জরিমানা আদায়

আপলোড তারিখঃ 2021-12-05 ইং
১১ মাসে আড়াই কোটি টাকা জরিমানা আদায় ছবির ক্যাপশন:
সড়ক দুর্ঘটনার ভয়াবহতা রোধ করতে ঝিনাইদহে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে ২ কোটি ৫৫ লাখ ৭৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ঝিনাইদহ ট্রাফিক পুলিশ ও বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি। গত ১১ মাসে (জানুয়ারি-নভেম্বর) সারা জেলায় অভিযান চালিয়ে এই জরিমানার টাকা আদায় করা হয়। ঝিনাইদহ ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) সালাহউদ্দীন এ তথ্য জানান। ঝিনাইদহ ট্রাফিক পুলিশের দেওয়া তথ্য মতে, গত ১১ মাসে মোট নিষ্পত্তি মামলা ছিল ৫ হাজার ৮১২টি। বই এবং পজ মেশিন দিয়ে এসব মামলা করা হয়। এ সময় ঝিনাইদহ ট্রাফিক পুলিশ ফিটনেস, রুট পারমিট, ট্যাক্স টোকেন, রেজিস্ট্রেশনবিহীন, হেলমেট, ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করা, উল্টো পথে গাড়ি চালানো ও মোটরসাইকেলে দুইজনের অধিক আরোহী যাত্রী বহনের দায়ে ১ কোটি ৭৭ লাখ ৩৬ হাজার ৮’শ টাকা জরিমানা আদায় করে। এছাড়া রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেল চালানোর দায়ে ঝিনাইদহ বিআরটিএ ৭৮ লাখ ৪০ হাজার ২৯৮ টাকা জরিমানা আদায় করে। এ বিষয়ে ঝিনাইদহ ট্রাফিকের সার্জেন্ট আসাদুজ্জামান বলেন, মোটরসাইকেলে মামলা খেতে না চাইলে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে। এ জন্য তিনটা পেপারের যেকোনো একটি না থাকলে অবশ্যই মামলা হবে। তিনি বলেন, রেজিস্ট্রেশন পেপার, ট্যাক্স টোকেন ও ড্রাইভিং লাইসেন্স অবশ্যই থাকতে হবে। ট্যাক্স টোকেন ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ থাকতে হবে। না থাকলে মামলা ও জরিমানা হবে। সেকেন্ডহ্যান্ড বাইক কেনার পর নাম ট্রান্সফার বা পরিবর্তন না করলে মামলা হবে। শিক্ষানবিশ কাগজ আছে, কিন্তু পরীক্ষা, ছবি তোলা এবং ফিঙ্গার দেয়নি এমন গাড়ির মালিকরা রাস্তায় বের হলে মামলার বিধান রয়েছে। বাইক ড্রাইভ করার সময় হেলমেট পরেননি অথবা আপনি পরেছেন কিন্তু পেছনের আরোহী পরেননি, এমন পাইলে মামলা হবে। ট্রাফিক বা রোড সিগনাল না মানলে মামলা হবে বলেও ট্রাফিক সার্জেন্ট আসাদুজ্জামান উল্লেখ করেন। এছাড়াও উল্টা পথে গাড়ি চালালে, ব্রেক লাইট না জ্বলা, ইন্ডিকেটর লাইট ভাঙ্গা বা না থাকলে, রাতে হেড লাইট না জ্বালালে, ড্রাইভ করার সময়  মোবাইলে কথা বললে অথবা নেশা করে ড্রাইভ করলে, অনুমতি ব্যতিত বাইক মোডিফাই করলে, রঙ পরিবর্তন করলে, ভিআপি হর্ন ব্যবহার, ফগ লাইট ব্যবহার, হ্যালোজেন লাইটের জায়গায় এলইডি হেডলাইট ব্যবহার, বাইকে ২ জননের অধিক যাত্রী থাকলে, অবৈধভাবে পার্কিং করলে, সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি করলে, ফুটপাতে মোটরসাইকেল চালালে ও লুকিং বা সেফটি গ্লাস না থাকলে সাধারণত মামলা করা হয়। ঝিনাইদহ ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) সালাহউদ্দীন জানান, সড়কে দুর্ঘটনা রোধে পুলিশ সুপারের নির্দেশে আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। এতে অবৈধ যানবাহনের সংখ্যা কমে এসেছে। তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হচ্ছে কিশোর ও উঠতি যুবকদের বাইক কিনে দেওয়া। ছেলের সখ মেটাতে বা বায়নার কারণে পিতা-মাতা বাইক কিনে দিচ্ছেন। নইলে আত্মহত্যার হুমকি দেয়। অভিভাবক যদি সচেতন না হয়, তবে মামলা দিয়ে সড়কে মৃত্যুর হার কমানো সম্ভব নয় বলে তিনি মনে করেন। ঝিনাইদহ ট্রাফিক বিভাগ এ জন্য সচেতনতামূলক কাজ করে যাচ্ছে। পরিদর্শক (টিআই) সালাহউদ্দীন আরও জানান, কারো হয়রানী ও অর্থদণ্ড করার মানসে ট্রাফিক পুলিশের অভিযান নয়। মৃত্যু হ্রাস ও দুর্ঘটনা রোধে সবাইকে আইনের আওতায় আসার অভ্যাস এবং নিয়ম মানার জন্যই মূলত ট্রাফিক পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)