মেহেরপুরে ফেনসিডিল রাখার অভিযোগে আদালতের রায়

আপলোড তারিখঃ 2021-12-01 ইং
মেহেরপুরে ফেনসিডিল রাখার অভিযোগে আদালতের রায় ছবির ক্যাপশন:
মেহেরপুরে ফেনসিডিল রাখার অভিযোগে সামিরুল ইসলাম, এনামুল হক ও পাপ্পু কুমার বিশ্বাস নামের ৩ ব্যক্তিকে ৭ বছর করে সশ্রম কারাদ- দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তাঁদেরকে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদ-াদেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে মেহেরপুরে স্পেশাল ট্রাইবুনাল-২ এর বিচারক রিপতি কুমার বিশ্বাস এ রায় দেন। সাজাপ্রাপ্ত সামিরুল ইসলাম কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার উত্তর কয়া গ্রামের বিশু শেখের ছেলে, এনামুল হক মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বাউট গ্রামের মনসুর আলীর ছেলে ও পাপ্পু কুমার বিশ্বাস কুষ্টিয়ার বাড়াদী গ্রামের মাধব বিশ্বাসের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় পাপ্পু বিশ্বাস আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি আটক হওয়ার দিন থেকে তাঁর সাজার মেয়াদ শুরু হবে। মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১২ সালের ২৮ জুন সকালের দিকে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গাংনী র‌্যাব-৬ এর সুবেদার আব্দুল্লাহিল ওয়াফি’র নেতৃত্বে র‌্যাব-৬ এর একটি দল গাংনী পৌরসভার সাবেক মেয়র আশরাফুল ইসলামের বাড়ির সামনে মেহেরপুর থেকে ছেড়ে যাওয়া শ্যামলী পরিবহনের একটি গাড়ি তল্লাশি করে ৪ শ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেন। ওই সময় র‌্যাব-৬ এর সদস্যরা শ্যামলী পরিবহনের চালক সামিরুল ইসলাম, সুপারভাইজার মো. এনামুল হক, হেলপার পাপ্পু কুমার বিশ্বাস, তোফাজ্জল হোসেন লিটন, মো. সোহরাব হোসেন, চালক মো. একরামুল ইসলাম, রুবেল, বাবু এবং গোলাম কিবরিয়া নামের ৯ জনকে আটক করেন। ওই ঘটনায় স্পেশল পাওয়ার অ্যাক্ট ১৯৭৪ এর ৩৫ বি (২) ধারায় গাংনী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার জি আর কেস নম্বর ৪৭০/১২, স্পেশাল ট্রাইবুনাল কেস নং ৫৯/১৩। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রাথমিক তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় মোট ১৪ জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেন। এতে আসামি সামিরুল ইসলাম, এনামুল হক ও পাপ্পু কুমার বিশ্বাস নামের ৩ ব্যক্তিকে ৭ বছর করে সশ্রম কারাদ-, ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদ-াদেশ দিয়েছেন আদালত। সাজাপ্রাপ্ত পাপ্পু কুমার বিশ্বাস আটক হওয়ার দিন থেকে তাঁর সাজার মেয়াদ শুরু হবে। এছাড়া তোফাজ্জল হোসেন লিটন, মো. সোহরাব হোসেন, চালক মো. একরামুল ইসলাম, রুবেল, বাবু এবং গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাঁদের বেকসুর খালাস প্রদান করেন। মামলার রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পিপি কাজী শহীদ এবং আসামি পক্ষে অ্যাড. মিয়াজান আলী, ইয়ারুল ইসলাম, কামরুল হাসান এবং রমজান আলী কৌশলী ছিলেন।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)