ছবির ক্যাপশন:
বয়স মাত্র ১১ বছর। এর মধ্যেই পেশাদার চোর হিসেবে কুখ্যাতি অর্জন করেছে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের যদুপুর গ্রামের এক শিশু। ৭ বছর বয়সে বাবার পকেট থেকে টাকা চুরির মধ্যদিয়ে চুরিতে তার হাতেখড়ি। এরপর কয়েক বছর যেতে না যেতেই সে এখন পেশাদার চোর। সুযোগ পেলেই ছাগল, মুরগী থেকে শুরু করে মোবাইল ও নগদ টাকা চুরি করে দিব্যি ঘুরে বেড়ায় সে। তবে শেষ পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হিজলগাড়ী বাজারের একটি মুদি দোকান থেকে টাকা চুরি করে অপ্রাপ্ত বয়স্ক এই চোর পড়ে বিপাকে। ইতোমধ্যে চুরির দ্বায়ে পুলিশের হাতে আটকও হয়েছে সে।
পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার জুম্মার নামাজের সময় চুয়ডাঙ্গার দর্শনা থানাধীন হিজলগাড়ী বাজারের নিউ ভাই ভাই মুদি ষ্টোরে কৌশলে প্রবেশ করে ক্যাশ-বাক্স থেকে আনুমানিক ৩৫ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে যায় অজ্ঞাত চোর। পরে দোকান মালিক সাইদুর রহমান সিসি টিভির ফুটেজ চেক করে দেখতে পায় ছোট্ট একটি ছেলে দোকান থেকে টাকা চুরি করে পালিয়ে যাচ্ছে। তাৎক্ষণিক তিনি বিষয়টি হিজলগাড়ী পুলিশ ফাঁড়িকে জানান। পরে পুলিশ সিসি টিভির ফুটেজ দেখে চোর শনাক্ত করে এবং অপ্রাপ্ত বয়স্ক এই চোরকে আটক করে। গতকাল সোমবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে চুরির অপরাধে অপ্রাপ্ত বয়স্ক এই চোর আটক হয়। হিজলগাড়ী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই তাপস সরকার সঙ্গীয় ফোর্স সহ বেগমপুরের যদুপুর গ্রামের বিলপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। পরে তার কাছ থেকে ২৪ হাজার ৫ শ টাকা উদ্ধারও করে পুলিশ। আটককৃত অপ্রাপ্ত বয়স্ক এই চোর যদুপুর বিলপাড়ার কালুর ছেলে। অপ্রাপ্ত বয়স্ক পেশাদার এই চোর দর্শনা থানায় সোর্পদ করা হয়েছে। এদিকে যদুপুর বিলপাড়ার একাধিক ব্যক্তি বলেন, সে বয়সে অপ্রাপ্ত হলেও ইতোমধ্য পেশাদার চোরে পরিণত হয়েছে। সুযোগ পেলেই যেকোনো জিনিস চুরি করে গায়েব করে দেয় সে। তার অত্যাচারে এলাকাবাসী ছিল অতিষ্ঠ।
