ছবির ক্যাপশন:
‘যাদের অনুপ্রেরণায় আমরা সাংবাদিকতা করছি তাদের অনেককেই আমরা চিরতরে হারিয়েছি। তারা চোখের অন্তরালে চলে গেলেও মনের গভীরে রয়েছেন। তাদের স্মরণ করেই আমরা পথ চলি। তারা দৃষ্টির আড়ালে চলে গেলেও বেঁচে আছেন সৃষ্টিকর্মের মাঝে। এভাবে আমাদের মধ্যে বেঁচে থাকবেন যুগ যুগ ধরে।’ কথাগুলো বলেছেন চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ। গতকাল শুক্রবার বাদ আছর চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব আয়োজিত স্মরণ সভায় তাঁরা এসব কথা বলেন।
চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব ভবনের তিনতলার হলরুমে আয়োজন করা হয় চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের প্রয়াত সদস্য ও প্রয়াত দাতা সদস্যদের স্মরণে স্মরণ সভার। প্রেসক্লাবের সহসভাপতি কামাল উদ্দীন জোয়ার্দ্দারের সভাপিতত্বে স্মরণ সভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য প্রবীণ সাংবাদিক মাহাতাব উদ্দীন, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি আজাদ মালিতা, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রাজীব হাসান কচি, সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বিপুল আশরাফ ও চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য ও দৈনিক সময়ের সমীকরণ-এর প্রধান সম্পাদক নাজমুল হক স্বপন।
সিনিয়র সাংবাদিক এম এম আলাউদ্দীন পবিত্র কোরআন তিওলায়াত করেন। স্মরণ সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন স্মরণ সভার আহ্বায়ক আহাদ আলী মোল্লা। স্মরণ সভায় স্মৃতিচারণমূলক বক্তব দেন প্রয়াত সদস্য চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম মকবুলার রহমানের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান পুলক, প্রয়াত সদস্য মোহাম্মদ আলীর সন্তান শহিদুল ইসলাম স্বপন, প্রয়াত সদস্য একেএম মুসার সন্তান লাবলুর রহমান ও প্রয়াত সদস্য ওয়াসিকুর রহমান জোয়ার্দ্দার বেলালের সন্তান ওয়াহিদ হোসেন জোয়ার্দ্দার। স্মরণ সভায় চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের প্রয়াত সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গা বায়তুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা জাহিদ হাসান।
চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের প্রয়াত সদস্যদের সন্তানদের নিকট মরহুম পিতার বাঁধানো ছবিসহ উপহার-সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব ও বাংলাদেশ টেলিকম প্লাসের যৌথ সহায়তায় উপহার সামগ্রীগুলো প্রদান করা হয়। চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইসলাম রকিবের সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
