ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গায় ডাকাত সর্দার মোহাম্মদ আলী ও তাঁর সহযোগী রতনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার ভোরে চুয়াডাঙ্গা শহরের ঈদগাহ ময়দানের পাশ থেকে তাঁদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকালে তাঁদের কাছ থেকে একটি রামদা, একটি খেলনা পিস্তল এবং লুণ্ঠিত ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, মোহাম্মদ আলী ও তার দলের হামলায় ১০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে। এমনকি পারিবারিক কলোহের জেরে শাশুড়ীকেও কুপিয়ে আহত করেছে মোহাম্মদ আলী। ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গায় ডাকাতি করতো। এক জেলায় ডাকাতি করে অন্য জেলায় লুকিয়ে থাকতো তারা। সর্বশেষ চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ল্যাপটপ ছিনতাই করে ঝিনাইদহ পালিয়ে যায়।
চুয়াডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন বলেন, ডাকাত সর্দার মোহাম্মদ আলীর দলের সদস্য তিনজন। চুয়াডাঙ্গায় সংঘটিত প্রায় সব ডাকাতিতেই তাদের হাত রয়েছে। তারা খেলনার পিস্তল দিয়ে ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে, কেউ বাধা দিলে রাম দা দিয়ে কোপায়।
সর্বশেষ গত ২২ নভেম্বর এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অস্ত্রের মুখে ল্যাপটপ ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনার পর তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে ১২টি এবং তার দলের বিরুদ্ধে ২০টিরও বেশি মামলা রয়েছে বলে জানান ওসি।
