ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা সদরের পিরোজখালি গ্রামে মুকুল নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলে নিজ মাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। শনিবার ( ১৩ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। ওই ঘটনায় তাকে আটক করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পিরোজখালী গ্রামে সন্ধ্যায় নিহত জবেদার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়দের খবর দেন এক প্রতিবেশি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোহাম্মদ মহসীন। নিহত জবেদা খাতুন পিরোজখালী গ্রামের আসান আলীর স্ত্রী। স্থানীয়রা জানান , বিকেলে সংসারের কাজ শেষে ঘরের বারান্দায় বসে ভাত খাচ্ছিলেন জবেদা খাতুন। এসময় তরকারি চাওয়া নিয়ে ছেলে মুকুলকে বকা দেন জবেদা খাতুন। ছেলেকে একটি থাপ্পড়ও দেন তিনি। একপর্যায়ে ক্ষুদ্ধ হয়ে পাশে থাকা ধারালো দা দিয়ে তার মাকে কোপাতে থাকে মানসিক ভারসাম্যহীন মুকুল। ঘটনাস্থলেই নিহত হন জবেদা খাতুন। নিহত জবেদা খাতুনের বড় ভাই আলা উদ্দিন জানান, মুকুল বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান। সে মাদকাসক্ত ছিল। পরে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে সে। তার দুইবার বিয়ে হয়েছিল। মাদকাসক্তের কারণে তার সংসার বেশিদিন স্থায়ী ছিলো না। তিনি আরও জানান, বেশ কিছুদিন আগে মাঠের জমি ও বাড়ি তার নামে লিখে দিতে বলে মুকুল। এ নিয়ে তার বাবা মায়ের সাথে তার প্রায়ই বিরোধ হয়। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন বলেন, সন্ধ্যায় খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। আটক মুকুলের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।