ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গার সরিষাডাঙ্গায় রাতের আঁধারে পুকুরে বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট দিয়ে দুই লাখ টাকার মাছ নিধন করার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শুক্রবার সকালে পুকুরে মরা মাছ ভেসে থাকতে দেখে বিষয়টি নজরে আসে পুকুর মালিকসহ এলাকার লোকজনের। ক্ষতিগ্রস্ত পুকুর মালিক হলেন সদর উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়নের সরিষাডাঙ্গা গ্রামের মৃত শাহাদৎ জোয়ার্দ্দারের ছেলে মানিক জোয়ার্দ্দার। তিনি গত ১০ বছরের বেশি সময় ধরে ওই পুকুরে মাছ চাষ করছেন। এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একজনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পুকুর মালিক।
ভুক্তভোগী মানিক জোয়ার্দ্দার বলেন, ২ বিঘা পুকুরে ১০ বছর ধরে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করে আসছি। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে আমি পুকুর পাড় থেকে উঠে ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়ি। শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে এলাকার লোকজন খবর দেয় পুকুরের সব মাছ পানির ওপরে ভেসে মারা গেছে। এ অবস্থায় এলাকার লোকজন জাল দিয়ে পুকুর থেকে কিছু মাছ তুলে এলাকায় বিক্রয় করে।
তিনি আরও বলেন, পূর্বশত্রুতার জের ধরে একই এলাকার মো. আলীহীমের ছেলে মো. মোমিন আমার পুকুরে বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট দিয়ে সব মাছ মেরেছে। সে মাদকাসক্ত এবং আমার পুকুরের ধারেই মাদক সেবন করে। কয়েকদিন আগেই মোমিনকে নিষেধ করায় সে আমাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারতেও যায়। এলাকাবাসীর সহযোগীতায় প্রতিরোধ করলে সে অস্ত্র ফেলে পালিয়ে যায়। মাছ মারা ও হুমকি দেয়ার ঘটনা নিয়ে আমি চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দিয়েছি।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোহসীন পিপিএম বার বলেন, পুকুরে গ্যাস ট্যাবলেট দিয়ে মাছ নিধনের বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে, অভিযুক্ত মোমিনের বক্তব্য নেয়ার জন্য তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্ট করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
