এক মাসের সম্পূর্ণ বেতনসহ জিনিসপত্র খোয়া

আপলোড তারিখঃ 2021-10-06 ইং
এক মাসের সম্পূর্ণ বেতনসহ জিনিসপত্র খোয়া ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গায় নবজাতককে দেখতে এসে অজ্ঞানপার্টির খপ্পরে যুবক নিজস্ব প্রতিবেদক: কর্মস্থল ঢাকা থেকে রয়েল এক্সপ্রেস পরিবহনযোগে নবজাতক সন্তানকে দেখতে আসার পথে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব খোয়ালেন লিটন হোসেন (৩০) নামের এক যুবক। গতকাল মঙ্গলবার রয়েল এক্সপ্রেস পরিবহনটি চুয়াডাঙ্গা পৌঁছালে বাসের কন্ট্রাক্টর লিটনকে বাসের মধ্যে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। লিটন অজ্ঞানপার্টির খপ্পরে পড়েছে বুঝতে পেরে লিটনের সঙ্গে থাকা মোবাইল থেকে তার পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। খবর পেয়ে লিটনের শাশুড়ী তাঁকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়া লিটন হোসেন পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার তাজিম মাতুব্বারের ছেলে। লিটনের শাশুড়ী হাফেজা বেগম বলেন, ‘এক মাস ১০ দিন পূর্বে আমার মেয়ে ও লিটনের একটি সন্তান ভুমিষ্ঠ হয়েছে। এই প্রথম কাজ থেকে ছুটি নিয়ে নবজাতকের জন্য কেনাকাটা করে চুয়াডাঙ্গা আসছিল জামায় লিটন। সন্ধ্যা সাতটার দিকে মোবাইল ফোনে রয়েল বাস কাউন্টার থেকে ফোন দিয়ে জানায় লিটন অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েছে। তাকে চুয়াডাঙ্গা রয়েল সাব কাউন্টারে রাখা হয়েছে, আমরা যেন দ্রুত তাকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করি। এসময় প্রতিবেশী একজন আলমসাধু চালককে নিয়ে দ্রুত তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসাপাতালে নিলে ডাক্তার তাকে ভর্তি করে নিয়েছে। তার কাছে গত মাসের সম্পূর্ণ বেতন ১৫ হাজার টাকা ছিল। কিন্তু এখন তার কাছে মোবাইল ও পুরাতন জামা কাপড়ের ব্যগটা ছাড়া কিছুই নেই।’ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘প্রায়ই সদর হাসপাতালে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে অসুস্থ দু-একজন ভর্তি হয়। আজ (গতকাল) লিটন নামের যুবককে জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। পরিবারের সদস্যদের থেকে জানতে পারি বাসের মধ্যে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েন তিনি। জরুরি বিভাগ থেকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি রাখা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনায় দেখা যায় অজ্ঞান পার্টি বা প্রতারক চক্র ভুক্তভোগীদেরকে ওষুধ মেশানো খাদ্রদ্রব্য খাইয়ে অচেতন করে। তারপর তাঁদের নিকটে থাকা সব কিছু নিয়ে পালিয়ে যায়। গণপরিবহনে যাত্রীদের অজ্ঞান করতে একটি বিশেষ ধরনের ওষুধ ব্যবহার করে দুষ্কৃতকারীরা। যাকে ট্রাঙ্কুলাইজার বা চেতনানাশক বলা হয়। এই ওষুধ দ্রুত কাজ করে। এতে গভীর ঘুম হয়, আর পরিমাণে কম লাগে। এর বড় ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। কিছু ক্ষেত্রে ওষুধ খাওয়ার আগের বা পরের ঘটনা মানুষ মনে করতে পারে না। তবে যাদের কিডনি বা যকৃতের সমস্যা আছে, তাদের ওপর এই ওষুধ মারাত্মক প্রভাব ফেলে। ধারণা করা হচ্ছে দুষ্কৃতকারীরা লিটনকেও খাবারে সঙ্গে মিশিয়ে ট্রাঙ্কুলাইজার জাতীয় ওষুধ খাইয়ে দিয়েছে।’

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)