ছবির ক্যাপশন:
ডেস্ক: রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্যাতিত দুই ছাত্রীর ফরেনসিক পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি। বিষয়টি উল্লেখ করে গতকাল দুপুরে ফরেনসিক রিপোর্টটি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসময় ঢামেক ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ সাংবাদিকদের জানান, ধর্ষণের পরে ৪০ দিন অতিবাহিত হলে সাধারণত ধর্ষণের আলামত পাওয়া দুষ্কর। এছাড়া তাদের ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ে কামিজ ও হাইভেজনাল সফট পরীক্ষা করতে দেয়া হয়েছিল। সেখানে কোনো ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি। তাদের শরীরে কোনো নির্যাতনের আঘাত পাওয়া যায়নি।
এ প্রসঙ্গে ডা. সোহেল মাহমুদ মানবজমিনকে বলেন, আলামতের উপর নির্ভর করে আদৌ ধর্ষণ হয়েছে কিনা। তবে এখানে সময়ের ব্যাপার আছে। নির্যাতিতা যত তাড়িতাড়ি আসবে ততো বেশি এবং সহজেই আলামত পাওয়া যাবে। কিছু কিছু আলামত আছে যা ৭২ ঘণ্টা পর নষ্ট হয়ে যায়। যেমন নির্যাতিতা প্রস্রাব, গোসল করলে আলামত নষ্ট হয়। আবার কিছু আলামত আছে যা এক-দুই মাসের মধ্যে পরীক্ষা করলে পাওয়া যায়। আবার কিছুক্ষেত্রে ধর্ষণের ইনজুরির উপর নির্ভর করে। ইনজুরি বেশি হলে অনেক দিন পর্যন্ত আলামত পাওয়া যেতে পারে। বনানীর রেইনট্রি হোটেলে নির্যাতিত দুই তরুণীর ফরেনসিক রিপোর্ট প্রসঙ্গে ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, তাদের ফরেনসিক রিপোর্টে আমরা উল্লেখ করেছি, ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। দুই তরুণীর বয়স সম্পর্কে আমরা উল্লেখ করেছি, তাদের বয়স ২২ থেকে ২৩ বছর। প্রতিবেদনটি বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর তেজগাঁও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের পুলিশ পরিদর্শক ইসমত আরা এমির নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
