ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা ভিজে উচ্চবিদ্যালয়ের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চুয়াডাঙ্গা ভিজে সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে নবীন বরণ-২০২১ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘদিন পর স্কুলে আসতে পেরে ছাত্রদের মধ্যে আবেগ ও উচ্ছ্বাসে ভরপুর লক্ষ্য করা যায়। এ উপলক্ষে গতকাল শনিবার দুইপর্বের ওই অনুষ্ঠানে প্রথমপর্ব সকাল ১০টায় বিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। চুয়াডাঙ্গা ভিজে সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, করোনার সংক্রমণ রোধে দীর্ঘ ১৭ মাস পর দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে শিক্ষাব্যবস্থা অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হয়েছিল। করোনার সংক্রমণ কমে যাওয়ায় সরকারের দেওয়া সকল নিয়ম মেনে পুনরায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। সেই কারণে শিক্ষার্থীদের প্রাণের উচ্ছ্বাস ফিরে এসেছে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, অনেকদিন বাড়িতে আটকা থেকে তোমরা লেখাপড়া থেকে অনেকটা পিছিয়ে পড়েছ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কারণে আশা করি তোমরা আবার পড়ালেখায় মনযোগী হবে।
ভিজে উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাজিয়া আফরিন, সদর হাসপাতালের সিনিয়র সার্জারি কনসালটেন্ট ডা. ওয়ালিউর রহমান নয়ন, ভিজে সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক (প্রভাতি শাখা) দিলারা চৌধুরী প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে প্রথম পর্বে প্রভাতি শাখার ১২০ জন নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। পরে সকল শিক্ষার্থী প্রধান অতিথির কাছ থেকে উপহার হিসেবে একটি করে হাত ঘড়ি গ্রহণ করে।
এদিকে, শনিবার বেলা ২টায় একই স্থানে দ্বিতীয় পর্বের অনুষ্ঠানে দিবা শাখার নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করা হয়। এ উপলক্ষে সেখানে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। দ্বিতীয় পর্বের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন ভিজে সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আব্দুস সামাদ। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ভিজে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিলাল হোসেন।
দিবা শাখার শ্রেণি শিক্ষক তসলিম উদ্দিন অনুষ্ঠানের সার্বিক সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও অভিভবকবৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে দিবা শাখার ১২০ জন শিক্ষার্থীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় এবং তাদের প্রত্যেককে একটি করে হাত ঘড়ি উপহার দেওয়া হয়।
