নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈয়ব আলী (৩৭) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে স্ত্রীকে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া বাজারপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ভুক্তভোগী গৃহবধূ কুলসুম খাতুনের (২৫) পরিবারের পক্ষ থেকে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় তৈয়ব আলীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী গৃহবধূ কুলসুম খাতুন সদর উপজেলর আলুকদিয়া চকপাড়ার আব্দুল কুদ্দুসের মেয়ে ও তৈয়ব আলীর স্ত্রী। অভিযুক্ত তৈয়ব আলী একই এলাকার বাজারপাড়ার মৃত বদ্দীনের ছেলে।
জানা যায়, সাত বছর পূর্বে পারিবারিকভাবে কুলসুম খাতুনের সঙ্গে তৈয়ব আলীর বিবাহ হয়। এর পর থেকেই বিভিন্নসময় তৈয়ব আলী কুলসুমকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে আসছিল। বিবাহের এক বছরের মাথায় তাঁদের সংসারে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে কুলসুম সবকিছু সয্য করে নিতো। কিন্তু গত বুধবার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈয়ব আলী গৃহবধূ কুলসুম খাতুনকে অমানবিক নির্যাতন করে ঘরে আটকে রাখে। পরদিন সকালে কুলসুম এক প্রতিবেশীর সাহায্যে তাঁর পরিবারের সদস্যদেরকে তাঁর প্রতি নির্যাতনের বিষয়ে জানায়। সকালেই পরিবারের সদস্যরা কুলসুমকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়।
ভুক্তভোগী কুলসুমের পিতা আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘তৈয়ব আলী বিভিন্ন সময় কারণে অকারণে আমার মেয়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন করতো। কুলসুম তাঁর ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে এতদিন চুপ করে ছিলো। কিন্তু এবার তৈয়ব আলী সব মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এত নির্যাতন সয্য করে কারও সংসার করা যায় না। আমার মেয়ের ওপর এমন অমানবিক নির্যাতনের বিচার চাই আমি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান বলেন, ‘স্ত্রীকে মারধরের ঘটনায় স্বামী তৈয়ব আলীর বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনাটির তদন্ত করছে। যেহেতু ঘটনাটি স্বামী স্ত্রীর মধ্যে হওয়ায় বিষয়টি সকল দিক বিবেচনা করে গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে।
