সাংস্কৃতিক কর্মীদের টাকা কার পকেটে?

আপলোড তারিখঃ 2021-08-26 ইং
সাংস্কৃতিক কর্মীদের টাকা কার পকেটে? ছবির ক্যাপশন:
মেহেরপুরে সাংস্কৃতিক কর্মীদের প্রণোদনায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ প্রতিবেদক, মেহেরপুর: করোনায় কর্মহীন সাংস্কৃতিক কর্মীদের প্রণোদনা বিতরণে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে শিল্পকলার সাধারণ সম্পাদক ও পরিষদের লোকজনের নিকটাত্মীয়, শিল্পকলার কর্মচারী ও বন্ধুদের দেওয়া হয়েছে। যারা কেউ নিয়মিত সাংস্কৃতিক ব্যক্তি নন। মেহেরপুর জেলার বিভিন্ন শিল্পিদের অভিযোগ, শিল্পকলার মাধ্যমে প্রথম দফায় ৫ হাজার করে ৫০ জনকে এবং ২য় দফায় ১০ হাজার করে ৬০ জনকে প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে অনেকেই সাংস্কৃতি কর্মী নয়। সুমন পারভেজ, শরিফুল ইসলাম শিল্পকলার নিয়মিত বেতনভুক্ত কর্মচারী অথচ নাট্যশিল্পী হিসেবে তাদের দেওয়া হয়েছে প্রণোদনার টাকা। মেহেরপুর সদর উপজেলার ঝাউবাড়িয়া গ্রামের আলী আকবর ও ইছাখালীর মঈনুল ইসলাম শিল্পকলার কর্মচারী কামরানের আত্মীয়, শহরের তাঁতীপাড়ার আব্দুল আজিজ শিল্পকলার একজন দর্শক, কামদেবপুর গ্রামের রুনা খাতুন ও যাদবপুরের শ্যামল আলী শিল্পকলার নির্বহী কমিটির এক সদস্য’র আত্মীয়, মুখার্জীপাড়ার মহির উদ্দিন শিল্পকলার নিয়মিত দর্শক, বড় বাজার এলাকার কানন বালা, জয়া দত্ত যাত্রা বা সংগীতের সাথে জড়িত নন, গোহাট পাড়ার তারিফ হোসেন একজন ব্যবসায়ী, কোর্টপাড়ার আজিবর রহমান একজন ঠিকাদার, কামদেবপুর গ্রামের আ. সামাদ একজন টিভি মেকার হলেও পেয়েছেন প্রণোদনার টাকা। প্রনোদোনা প্রাপ্ত মইনুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা মেহেরপুর শিল্পকলায় সঙ্গীত করি। আমি ওতো গ্রুপ বুঝি না, আমি মূর্খ মানুষ, শুধু সঙ্গীত গাই।’ রুনা খাতুনকে ফোন করলে একজন পুরুষ ধরে বলে আপনি যে নাম্বারে ফোন দিয়েছেন সেটা ভুল নাম্বার। শিল্পকলার প্রণোদনার লিষ্টে আপনার নাম্বার কেন জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন। এ দিকে কানন বালা কবে কোথায় সাংস্কৃতি কর্মী ছিলো তা কেউ বলতে পারেনি। কানন বালার আপন জা বহু বছর পূর্বে ভজন গাইতেন তবে এখন আর তিনি গাননা। ইনারা দুজনেই পেয়েছেন প্রনোদনার টাকা। অরণী থিয়েটারের সভাপতি নিশান সাবের বলেন, ‘শিল্প সাংস্কৃতির সাথে জড়িত না এমন অনেকে প্রণোদনা পেয়েছেন, যা অনুচিত হয়েছে। তাঁতীপাড়া আব্দুল আজিজ শুধুমাত্র একজন দর্শক, তাকে কখনো শিল্পি হিসেবে দেখিনি কেউ। এরকম অনেকেই প্রণোদনা পেয়েছেন শুনেছি। আমরা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের দীর্ঘ সময়ে তাদের কাউকে এ অঙ্গনে দেখিনি, এমনকি চিনিও না।’ জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বলেন, ‘প্রণোদনার টাকা বিভিন্ন জনের বিভিন্ন রকম আছে। সুমন পারভেজ, শরিফুল ইসলামের বিষয়ে তিনি বলেন লাইট অপারেটর, সাউন্ড অপারেটর এরা সবাই শিল্পী। প্রণোদনার তালিকায় নাট্যশিল্পী লেখা আছে মানে ওরা নাটকও করে। আমরা ওদের নাটকও করায়। নাটকে যারা লাইটিং করছে, সাউন্ড করছে, ব্যাকগ্রাউন্ডে যারা আছে তাদেরও নাট্যশিল্পী বলা যাবে। যে চেয়ার টানছে মঞ্চে তাকেও নাট্যশিল্পী বলা যাবে। নাট্যশিল্পী বলতে বহু ধরনের ক্যাটাগরি আছে।’

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)