ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন সাংবাদিক সোহেল রানা ডালিম। আজ বৃহস্পতিবার খোলা হবে তাঁর শরীরে জখমস্থানের ব্যান্ডেজ। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক না শঙ্কামুক্ত ব্যান্ডেজ খোলার পর তা জানা যাবে বলেছেন সার্জারি কনসালটেন্ট ডা. এহসানুল হক তন্ময়। গত সোমবার রাতে দুদফায় তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখমের ঘটনা ঘটে। পরে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে তাঁকে চিকিৎসকের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। ওইদির রাতেই ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা রাজু আহমেদ ওরফে কানা রাজুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এসময় কানা রাজুর সহযোগীরা কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলেও পরদিন দুপুরে মামলার এক ঘণ্টার মধ্যে অভিযান চালিয়ে নূর নগর কলোনীপাড়া থেকে এজহারভুক্ত আরও দুই আসামি ছাত্রলীগ কর্মী জান্নাত হোসেন ও আল মমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওইদিনই গ্রেপ্তার তিনজনকে কোর্টের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
সাংবাদিক ডালিমের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে সদর হাসপাতালের সার্জারি কনসালটেন্ট ডা. এহসানূল হক তন্ময় বলেন, ‘গুরুতর জখম সাংবাদিক ডালিমকে জরুরি বিভাগ থেকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে অবজারভেশনে রাখা হয়েছে। তিনি এখনও সম্পূর্ণ আশঙ্কামুক্ত কি না তা ব্যান্ডেজ খোলার পর জানা যাবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (আজ) তাঁর শরীর থেকে ব্যান্ডেজ খুলে ড্রেসিং করা হবে। ব্যান্ডেজ খোলার পর তাঁর শরীর থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে। তবে ঘটনার দিন তাঁর শরীর থেকে অতিরিক্তি রক্তক্ষরণ হওয়ায় তাঁর শরীরে এক ব্যগ রক্ত দেওয়ার পরেও ব্যান্ডেজ খোলার পর আরও এক ব্যাগ রক্ত দেওয়া হবে।’
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সাংবাদিক ডালিম হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডের ৬ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন। এবং তাঁর ওপর আবারও কোন হামলা বা অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কেবিনের সামনে দুজন পুলিশ সদস্য ২৪ ঘণ্টা নিয়জিত ছিল।
