ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন গুরুতর জখম হয়েছে। গতকাল শরিবার দুপুর দুইটায় ও বিকেল পাঁচটার দিকে এ দুটি দুর্ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় ব্যক্তিরা রক্তাক্ত জখম অবস্থায় আহতদেরকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়। জরুরি বিভাগ থেকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শেষে আহতদেরকে হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। আহতরা হলো- মেহেরপুর জেলার কসবা গ্রামের সাবদাল মণ্ডলের ছেলে খেদের আলী (৮৫), খেদের আলীর ছেলে আজিবর রহমানের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন (৩০), তাঁদের মেয়ে ফাতেমা খাতুন (১২) ও ইজিবাইক চালক একই গ্রামের মজেল হকের ছেলে আবুল বাসার পটল (৪৪), চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের রেলপাড়ার মাদার মণ্ডলের ছেলে সেণ্টু মিয়া (৪০) ও দামুড়হুদা উপজেলার মৃত ফরিদ আলী ছেলে আব্দুল কুদ্দুস (৪৫)।
জানা যায়, গতকাল দুপুর দুইটার দিকে ইজবাইকযোগে অসুস্থ খেদের আলীকে মেহেরপুর থেকে চুয়াডাঙ্গায় চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসছিল ছেলে আজিবর রহমান, তার স্ত্রী ও মেয়ে। পথের মধ্যে আলমডাঙ্গা উপজেলার কুলপালা গ্রামে পৌঁছালে চুয়াডাঙ্গা থেকে মেহেরপুর মুখি একটি ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এসময় ট্রাকের ধাক্কায় ইজিবাইকটি উল্টে যেয়ে চালকসহ চারজন গুরুত্বর জখম হয়। এসময় স্থানীয় ব্যক্তিরা আহতদেরকে দ্রুত উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়। জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস আহতদেরকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।
এদিকে, গতকাল বিকেল পাঁচটার দিকে চুয়াডাঙ্গা থেকে রাজমিস্রির কাজ শেষ করে পাখিভ্যান যোগে নিজ বাড়ি দামুড়হুদার জয়রামপুরে যাচ্ছিল আব্দুল কুদ্দুস। এসময় মোটরসাইকেলযোগে দর্শনা থেকে চুয়াডাঙ্গার দিকে আসছিলো সেণ্টু মিয়। পথের মধ্যে জয়রামপুরে পৌছালে পাখিভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগে। এসময় আব্দুল কুদ্দুস ও সেণ্টু মিয়া গুরুতর জখম হয়। এসময় স্থানীয় ব্যক্তিরা আহত দুজনকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়। জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক আহতদেরকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।
