সবাইকে কাঁদিয়ে চিরনিদ্রায় সাংবাদিক ডালিম

আপলোড তারিখঃ 2021-08-13 ইং
সবাইকে কাঁদিয়ে চিরনিদ্রায় সাংবাদিক ডালিম ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গায় করোনা আক্রান্ত হয়ে সাংবাদিকের মৃত্যু, এমপি ছেলুন জোয়ার্দ্দার ও এমপি টগরসহ বিভিন্ন মহলের শোক যমুনা টিভির খুলনা ব্যুরো প্রধান কনক রহমান বললেন, আরিফুল ইসলাম ছিলেন একজন আপাদমস্তক সাংবাদিক নিজস্ব প্রতিবেদক: চলমান করোনা মহামারিতে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করলেন যমুনা টেলিভিশনের চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম ডালিম। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে সাভারে ড. এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার জোয়ার্দ্দারপাড়ার নজরুল ইসলামের ছেলে সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম ডালিম একাধারে যমুনা টেলিভিশন, দৈনিক দেশ রুপান্তর ও ইউএনবি’র চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি এবং স্থানীয় দৈনিক আকাশ খবর পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এছাড়া তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন। এদিকে, গতকাল রাত ১২টার সময় ঢাকা থেকে আরিফুল ইসলাম ডালিমের মরদেহ চুয়াডাঙ্গায় এসে পৌঁছায়। পরে রাত সাড়ে ১২টায় চুয়াডাঙ্গা জান্নাতুল মাওলা জামে মসজিদে নিহতের জানাজার নামাজ শেষে জান্নাতুল মাওলা কবরস্থানে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। এর আগে ঢাকা, খুলনা ও পার্শবর্তী জেলাগুলো থেকে আসা যমুনা টেলিভিশনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম ও মিডিয়া হাউজে কর্মরত সহকর্মীরা ফুল দিয়ে তার মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা জানান। মৃত্যুকালে তিনি বাবা-মা, স্ত্রী, দুই পুত্র, তিন বোনসহ বহু শুভাকাক্সক্ষী রেখে গেছেন। এদিকে, সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম ডালিমের মৃত্যুতে চুয়াডাঙ্গা জেলাসহ পার্শবর্তী মেহেরপুর ও ঝিনাইদহে কর্মরত সংবাদকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষ তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এছাড়া সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম ডালিমের আত্মার মাগফিরাত কামনাসহ নানা স্মৃতিচারণ করে আবেগঘণ সব স্ট্যাটাস বিভিন্নজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, টুইটারে ও ইউটিউবে শেয়ার করতে দেখা গেছে। এরমধ্যে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার শোক প্রকাশ করে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘এ নশ্বর মানবজীবনে মৃত্যুই অমোঘ নিয়তি। যা এড়ানোর সুযোগ কারো নেই। তবু কিছু কিছু মৃত্যু মনে গভীর ক্ষত রেখে যায়। আরিফুল ইসলাম ডালিমের মতো তরুণ এবং নির্ভীক একজন সাংবাদিকের মৃত্যু তেমনি হৃদয়ে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করে। নির্ভীক এবং তরুণ এ সাংবাদিকের মৃত্যুতে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন গভীরভাবে শোকাহত। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে প্রার্থনা জানাই উনাকে যেন জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং উনার পরিবারের সদস্যবৃন্দকে যেন এ শোক সইবার শক্তি দান করেন। আমিন।’ `` জানা যায়, গত ১৯ জুন আরিফুল ইসলাম ডালিম চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবি পরিচালিত টিকাদান কেন্দ্র থেকে চীনের সিনোফার্ম টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করেন। এরপরেও গত ২৩ জুলাই তাঁর শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। সেসময় তিনি নিজ বাড়িতেই হোম আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিতে শুরু করেন। একপর্যায়ে তাঁর শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হলে ২৭ জুলাই তাঁকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের ডেডিকেটেট করোনা ইউনিটের রেড জোনে ভর্তি করা হয়। রেড জোনে টানা ১০দিন চিকিৎসাধীন থাকার পরেও তাঁর অবস্থার কোনো উন্নতি না হওয়ায় গত ৭ আগস্ট রাতে তাঁকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে সাজেদা ফাউন্ডেশন নামের একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন দ্বারা পরিচালিত সদ্য উদ্বোধন হওয়া হাই ডিফেনডেন্স ইউনিটে (এইচডিইউ) নেওয়া হয়। সেখানে টানা চারদিন চিকিৎসা চলার পরেও তাঁর শরীরে অক্সিজেন সেচ্যুরেশন লেভেল ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে। এ অবস্থায় গত ১১ আগস্ট বিকেলে আরিফুল ইসলাম ডালিমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তাঁর পরিবারের সদস্যরা। প্রথমে সাংবাদিক ডালিমকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় নেওয়ার চেষ্টা করে যমুনা টেলিভিশন পরিবার। কিন্তু পাইলটের অসম্মতিসহ নানা কারণে যমুনা টেলিভিশন পরিবারের সে চেষ্টা ব্যর্থ হলে পরবর্তীতে ঢাকা থেকে আইসিইউ সম্বলিত একটি আধুনিক অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে আনা হয়। রাত ১০টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সটি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালেও এসে পেঁৗঁছায়। কিন্তু তখন আরিফুল ইসলাম ডালিমের অবস্থা আরও আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে। যার কারণে রাতে তাঁকে ঢাকা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে পরদিন (গতকাল বৃহস্পতিবার) সকাল পৌনে সাতটার দিকে তাঁকে নিয়ে ওই আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্সযোগে ঢাকার আজগার আলী হাসপাতালে ভর্তির উদ্দেশ্যে রওনা হয় পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু সেখানে পৌছানোর আগেই সাভারের আমিন বাজার এলাকায় আরিফুল ইসলাম ডালিমের অবস্থার আরও অবনতি হয়। এসময় তাঁকে দ্রুত সাভারের ড. এনাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নেওয়া হলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আরিফুল ইসলাম ডালিমকে মৃত ঘোষণা করেন। ১৯৮৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর তারিখে জন্ম নেওয়া এই তরুণ সাংবাদিকের মাত্র ৩৯ বছর বয়সে জীবনাবসান ঘটে। বিভিন্ন ব্যক্তি ও মহলের শোক প্রকাশ: সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম ডালিমের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাজি আলী আজগার টগর, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য দিলীপ কুমার আগরওয়ালা, সাহিদ গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিঙ্গাপুরের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়ী আলহাজ্ব সাহিদুজ্জামান টরিক, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খুস্তার জামিল, সাধারণ সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম টোটন, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুল হক বিশ্বাস, আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী, আলমডাঙ্গা পৌর মেয়র হাসান কাদির গনু, দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলী মুনছুর বাবু, দর্শনা পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান, জীবননগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান, জীবননগর পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সাবেক মেয়র ওবাইদুর রহমান চৌধুরী জিপু, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম মনি, চুয়াডাঙ্গা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ইয়াকুব হোসেন মালিক, জেলা দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইবরুল হাসান জোয়ার্দ্দার ইবু, নিউ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মিজাইল মিয়া, যুগ্ম সম্পাদক সুমন পারভেজ নন্দন, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি সরদার আল-আমিন, সাধারণ সম্পাদক রাজিব হাসান কচি, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি চুয়াডাঙ্গা জেলা ইউনিটের সভাপতি আজাদ মালিতা, সাধারণ সম্পাদক বিপুল আশরাফ, দৈনিক সময়ের সমীকরণ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক নাজমুল হক স্বপন, বার্তা সম্পাদক হুসাইন মালিক, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফাইজার চৌধুরী, ৭১ টিভির প্রতিনিধি এম এ মামুন, চুয়াডাঙ্গা মাথাভাঙ্গা নদী বাঁচাও আন্দলনের সভাপতি হামিদুল হক মুন্সি, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মানিক আকবর চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামরুজ্জামান চাঁদ, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাফিজুর রহমান মাফি, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম পিটু, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহেদ মো. রাজীব খান, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাইমেন হাসান জোয়ার্দ্দার অনিক, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জানিফ, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা, যুগ্ম সম্পাদক আমানউল্লাহ আমানসহ আরও অনেকে। এছাড়া অরিন্দম, উদীচী, বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের চুয়াডাঙ্গা জেলা ও সদর উপজেলা শাখা, আলমডাঙ্গা প্রেসক্লাব, দর্শনা প্রেসক্লাব, দামুড়হুদা প্রেসক্লাব, জীবনননগর প্রেসক্লাব, আন্দুলবাড়ীয়া প্রেসক্লাব, হিজলগাড়ী প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করা হয়। ``সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম ডালিমের সংক্ষিপ্ত কর্মজীবনী: তিনি কিশোর বয়স থেকেই সংবাদপত্রের কাজে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৯৯ সালে যশোরের দৈনিক গ্রামের কাগজ পত্রিকার মাধ্যমে মূলধারার গণমাধ্যমে প্রবেশ তাঁর। এরপর তিনি একে একে আরটিভি, একুশে টেলিভিশন, এস এ টেলিভিশন, আমার দেশ পত্রিকায় কাজ করেছেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি যমুনা টেলিভিশন, দৈনিক দেশ রুপান্তর ও ইউএনবি’র চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি এবং স্থানীয় দৈনিক আকাশ খবর পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এছাড়াও তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এদিকে, সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম ডালিমের মৃত্যুতে যমুনা টেলিভিশনের খুলনা ব্যুরো প্রধান সিনিয়র সাংবাদিক কনক রহমান পুরো টীম নিয়ে গতকালই চুয়াডাঙ্গায় ছুটে এসেছেন। পরে সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম ডালিমের দাফনকার্য যমুনা টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। এসময় যমুনা টেলিভিশনের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি মাহতাব উদ্দীন লালন, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি নাসিম আনসারী ও মেহেরপুর প্রতিনিধি রামিজ আহসান যমুনার সরাসরি সম্প্রচার অনুষ্ঠানে নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে যেয়ে কান্না ভেঙে পড়েন। তা দেখে সাংবাদিক ডালিমের দীর্ঘদিনের সহকর্মী দীপ্ত টিভির চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি সেলিম রেজা, ডিবিসির চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি জিসান আহমেদসহ স্থানীয় অনেক সহকর্মীকেই অঝোরে কাঁদতে দেখা যায়। এর আগে সরাসরি সম্প্রচার নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে যেয়ে কান্নাজড়িত কন্ঠে যমুনা টেলিভিশনের খুলনা ব্যুরো প্রধান সিনিয়র সাংবাদিক কনক রহমান বলেন, আরিফুল ইসলামকে নিয়ে কিছু বলতে হবে সেটা কোনোদিন ভাবতেই পারিনি। মানসিকভাবেও আমি প্রস্তুত ছিলাম না। তারপরেও বলবো চিন্তা-চেতনা, আচরণ ও মননে আরিফুল ইসলাম ছিলেন একজন আপাদমস্তক সাংবাদিক। এরকম একজন সহকর্মীকে হারানো সত্যিই কষ্টের। তাই আমি প্রত্যোক সংবাদকর্মীদের অনুরোধ করব, আপনারা এই করোনা সংকটে নিজের প্রটেকশন নিশ্চিত করে, তবেই সংবাদ সংগ্রহে যাবেন। আগে জীবন তারপরে কাজ। এসময় কনক রহমান আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)