ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গা অফিস:
আলমডাঙ্গায় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ঘোষবিলা পশুহাট সরকারি ডাক না হলেও পুরাতন মালিক পক্ষ হাট বসিয়ে খাস কালেকশন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। করোনাভাইরাসে স্বাস্থ্যবিধি মানার লক্ষে সরকার সকল পশুহাট বন্ধ করে দেয়। যে কারণে দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ পশুহাট আলমডাঙ্গা পৌর পশুহাটও বন্ধ করে দেয় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন। কিন্তু প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জামজামি ইউনিয়নের ঘোষবিলা পশুহাট সরকারি ডাক না হলেও পুরোনো মালিক পক্ষ শহিদুল ইসলাম কটা ও তাঁর সাথে পূর্বের পক্ষ হাট বসিয়ে খাস কালেকশন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল সোমবার আলমডাঙ্গা ঘোষবিলায় সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, পুরাতন হাট মালিক ও স্থানীয় কিছু নেতা মিলে হাট বসিয়ে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে সরকারি বিধি-নিষেধ অমান্য করে জোরপূর্বক পশুহাট পরিচালনা করেছেন। এবিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেকে অভিযোগ করে জানান, ‘এমনিতেই হাটের জায়গা নোংরা, অপরিস্কার-অপরিচ্ছন্ন, তারপরও তারা সকল নিয়ম কানুনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যথারীতি হাট বসিয়ে নিজেরা রাজস্ব আদায় করছে। যা সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে না।’
এবিষয়ে আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রনি আলম নুরের সাথে কথা হলে তিনি জানান, সরকার ঘোষিত লকডাউনের কারণে সকল পশুহাট বন্ধ আছে। ঘোষবিলায় কীভাবে হাট চালিয়েছে আমার জানা নেই। তবে আমি বিষয়টি তদন্ত করে দেখব। হাটটি সরকারিভাবে ইজারা দেওয়া হয়েছে কি না, সেটাও আমার জানা নেই। যদি ইজারা না দেওয়া থাকে, তাহলে রাজস্ব আদায় সম্পূর্ণভাবে বেআইনি। আমি বিষয়টি জেনে ব্যবস্থা নেব।’
আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের সিএ-কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, ‘এই হাট সরকারিভাবে ইজারা দেওয়া হয়নি। রাজস্ব আদায়ের টাকা কীভাবে তারা রাখে, সে বিষয়ে আমি কিছু জানি না। বিষয়টি উপজেলা ও জেলা প্রশাসন সঠিকভাবে বলতে পারবে।’
স্থানীয়দের দাবি, কঠোর লকডাউনে যখন সকল পশুহাট বন্ধ, তখন কীভাবে ঘোষবিলা পশুহাট চলছে? বিষয়টি তদন্তপূর্বক বিচার চেয়েছেন স্থানীয় ব্যক্তিরা।
