ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গায় স্কুল ছাত্রী রুবিনা’র ধর্ষক ও হত্যাকারীদের গ্রেফতারসহ ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন শেষে সংবাদ সম্মেলনে আর্ল্টিমেটাম-অনতিবিলম্বে অপরাধীরা গ্রেফতার না হলে সর্বস্তরের জনতার বিক্ষোভ প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। গতকাল রোববার বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন শেষে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার রুবিনার মা চয়না খাতুনের পক্ষে চুয়াডাঙ্গা মানবতা ফাউন্ডেশনের নিবার্হী পরিচালক এ্যাড. খন্দকার অহিদুল আলম (মানি খন্দকার) এ ঘোষণা দেন। মানববন্ধনে রুবিনার মা চায়না খাতুন তার মেয়ের ধর্ষক ও হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবী জানান। একই সাথে উপস্থিত এলাকাবাসীও সাংবাদিক সম্মেলন ও মানববন্ধনে ধর্ষক ও হত্যাকারীদের বিচারের দাবী জানায়। সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধনে মানবতা ফাউন্ডেশনের নিবার্হী পরিচালক এ্যাড. মানি খন্দকার আগামী ২৬মে’র মধ্যে পুলিশ আসামীদের গ্রেফতার না করলে ২৭ মে রুবিনা ধর্ষক ও হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবীতে সর্বস্তরের জনতাকে সাথে নিয়ে চুয়াডাঙ্গা শহীদ হাসান চত্বরে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন এবং ৩০ মে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এ ঘটনা বিচার চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের ঘোষণা দেন। উল্লেখ্য একই ঘটনায় এলাকাবাসী এর আগেও জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বিক্ষোভ শেষে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে। মানববন্ধনে অংশ গ্রহনকারী এলাকাবাসী জানান, রুবিনা স্থানীয় প্রভাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী ছিল। প্রতিদিনের ন্যায় রুবিনার মা চায়না খাতুন গত ২ মে মঙ্গলবার দুপুরেও প্রতিবেশির বাড়িতে কাজে যায়। এ সুযোগে প্রতিবেশী লম্পট হুমায়ন বাঙ্গাল রুবিনাকে ফুসলিয়ে ধর্ষণ শেষে ঘটনা ধামাচাপা দিতে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর তার স্ত্রী আরজিনা খাতুনসহ কয়েকজন রুবিনার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাদেরই আমগাছে ঝুলিয়ে দেয়। রুবিনা চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার দক্ষিণ গোরস্থান পাড়ার রবি ও চায়না খাতুনের মেয়ে। ঘটনাটি এলাকাবাসী বুঝতে পেরে গত ৭ মে রুবিনা ধর্ষক ও হত্যার বিচারের দাবীতে চুয়াডাঙ্গা শহরে বিক্ষোভ প্রদর্শনসহ মানববন্ধন করে। একই দিনে প্রতিবেশী হুমায়ুন বাঙালসহ ৫ জনকে আসামী করে রুবিনার মা চায়না খাতুন বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় ধর্ষণ শেষে হত্যার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় এজাহার নামীয় প্রধান আসামী হুমায়ুন বাঙালের স্ত্রী আরজিনা (৪০) কে পুলিশ গ্রেফতার করে পরদিন জেল হাজতে পাঠায়। এদিকে একটি বিশেষ সুত্রে জানা গেছে একটি মহল প্রধান আসামী হুমায়ুন বাঙালসহ অন্যান্যদের বাঁচাতে রুবিনার মা চায়না খাতুনকে মোটা অংকের টাকার প্রলোভন দেখিয়ে মামলাটি ভিন্নখাতে নেয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
