ছবির ক্যাপশন:
সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে বিনম্র শ্রদ্ধায় চুয়াডাঙ্গার স্থানীয় শহীদ দিবস পালন
আটকবর স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পমাল্য দিলেন এমপি টগর, এসপি জাহিদুল ইসলাম, অ্যাডিশনাল ডিসি মনিরা পারভীন ও টোটন জোয়ার্দ্দার
দর্শনা অফিস:
স্বাস্থ্যবিধি মেনে নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে ৫ আগস্ট চুয়াডাঙ্গার স্থানীয় শহীদ দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটায় দামুড়হুদা উপজেলার আটকবর চত্বরে জাতীয় পতাকা, মুক্তিযোদ্ধা পতাকা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাজি আলী আজগার টগর। মুক্তিযোদ্ধার পতাকা উত্তেলন করেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনিরা পারভীন ও কালো পতাকা উত্তোলন করেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম জাহিদ।
এরপর আটকবর স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পমাল্য অর্পণ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাজি আলী আজগার টগর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনিরা পারভীন, জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষে সাবেক পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার মেয়র জাহাঙ্গীর আলম মালিক, দামুড়হুদা উপজেলার পক্ষে নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলী মুনছুর বাবু, দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল আলম ঝণ্টু, সাধারণ সম্পাদক মাহাফুজুর রহমান মনজু, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট, দর্শনা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষে রুস্তম আলী, আব্দুল হান্নান, মহসিন আলী, বদরুল আলম পিট্টু প্রমুখ।
পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে আটকবর চত্বরে এক আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল আলমের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি ছেলুন জোয়ার্দ্দার বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন অপশক্তি নানা ধরণের ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। দলের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা জামায়াত-বিএনপির কর্মীরা দলের মধ্যে নানা ধরণের ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের দলের সকর নেতা-কর্মীদের সর্তক থাকতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট হত্যাচেষ্টা করেছে। সারা দেশে ১৭ আগস্ট বোমা ফাটিয়ে তাদের শক্তি প্রদর্শন করেছে। আমারা সে শক্তিকে প্রতিহত করে জননেত্রী শেখ হাসিনীর নেতৃত্বে একটি উন্নয়নশীল দেশ গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছি। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও প্রশাসনের সকলকে সর্তক থেকে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা এখনো সজাগ রয়েছে। এ জন্য আমাদের সকল নেতা-কর্মীকে সংগঠিত হয়ে সর্তক থেকে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দেশের জন্য কাজ করে যেতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘আটকবরে যে আট শহীদ রয়েছে তারা আমার সন্তান, তারা আমার ভাই, তারা আমার সহযোদ্ধা। সেদিন ৫ই আগস্টে যেমন মুক্তিযোদ্ধাদের ষড়যন্ত্র করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছিল এক শ্রেণির রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস। আজকেও ঠিক তেমনি ওই রাজাকার, আল-বদর, আল-শামসের দল মাথা চাড়া দিচ্ছে। তারা বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের সাফল্য ঈর্ষান্বিত হয়ে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এমপি হাজি আলী আজগার টগর বলেন, মুক্তযুদ্ধের ঐক্য ছাড়া দেশে কোনো কিছু করা সম্ভব নয়। সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যেতে হলেও মুক্তিযুদ্ধের ঐক্য প্রয়োজন। দেশ ও মানুষের উন্নয়নেও মুক্তিযুদ্ধের ঐক্য প্রয়োজন। তিনি উপস্থিত সবার উদ্দেশে বলেছেন, ‘আপনারা নতুন প্রজন্মের কাছে দেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের দীর্ঘ সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও আদর্শের কথা তুলে ধরুন।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আলমগীর হান্নান ও মুফতি মাসুদুজ্জামান লিটু বিশ্বাস, দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু তালেব বিশ্বাস, উপ-প্রচার সম্পাদক শওকত আলী বিশ্বাস, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক নুরুল ইসলাম মালিক, শ্রমিক লীগ সভাপতি মো. আফজালুল হক বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক রিপন মণ্ডল, চুয়াডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন হেলা, সদর উপজেলা আওয়ামী সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান নান্নু, মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদিকা নুরুন্নাহার কাকলী, সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহাজাদী মিলি, চুয়াডাঙ্গা মহিলা সংস্থার সভাপতি নাবিলা রুকসানা ছন্দা, পৌর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়া সাহাব, মহিলা নেত্রী রিনা, শেফালী, যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক আরেফিন আলম রঞ্জু, সাবেক যুবলীগ নেতা আব্দুল কাদের, রাশেদুজ্জামান বাকী, আব্দুর রশিদ, সিরাজুল ইসলাম আসমান, মিরাজুল ইসলাম কাবা, টুটুল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাইমেন হাসান জোয়ার্দ্দার অনিক, সহসভাপতি শাহাবুল হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা ফিরোজ জোয়ার্দ্দার, অয়ন জোয়ার্দ্দার, শোয়েব রিগান, রাজু আহমেদ, সাইফুল ইসলাম রানা, মিথুন ও পৌর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল নেতা-কর্মীবৃন্দ।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আলমগীর হান্নান। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি মাসুদুউজ্জামান লিটু।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এমপি হাজি আলী আজগার টগর বলেন, মুক্তযুদ্ধের ঐক্য ছাড়া দেশে কোনো কিছু করা সম্ভব নয়। সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যেতে হলেও মুক্তিযুদ্ধের ঐক্য প্রয়োজন। দেশ ও মানুষের উন্নয়নেও মুক্তিযুদ্ধের ঐক্য প্রয়োজন। তিনি উপস্থিত সবার উদ্দেশে বলেছেন, ‘আপনারা নতুন প্রজন্মের কাছে দেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের দীর্ঘ সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও আদর্শের কথা তুলে ধরুন।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আলমগীর হান্নান ও মুফতি মাসুদুজ্জামান লিটু বিশ্বাস, দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু তালেব বিশ্বাস, উপ-প্রচার সম্পাদক শওকত আলী বিশ্বাস, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক নুরুল ইসলাম মালিক, শ্রমিক লীগ সভাপতি মো. আফজালুল হক বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক রিপন মণ্ডল, চুয়াডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন হেলা, সদর উপজেলা আওয়ামী সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান নান্নু, মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদিকা নুরুন্নাহার কাকলী, সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহাজাদী মিলি, চুয়াডাঙ্গা মহিলা সংস্থার সভাপতি নাবিলা রুকসানা ছন্দা, পৌর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়া সাহাব, মহিলা নেত্রী রিনা, শেফালী, যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক আরেফিন আলম রঞ্জু, সাবেক যুবলীগ নেতা আব্দুল কাদের, রাশেদুজ্জামান বাকী, আব্দুর রশিদ, সিরাজুল ইসলাম আসমান, মিরাজুল ইসলাম কাবা, টুটুল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাইমেন হাসান জোয়ার্দ্দার অনিক, সহসভাপতি শাহাবুল হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা ফিরোজ জোয়ার্দ্দার, অয়ন জোয়ার্দ্দার, শোয়েব রিগান, রাজু আহমেদ, সাইফুল ইসলাম রানা, মিথুন ও পৌর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল নেতা-কর্মীবৃন্দ।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আলমগীর হান্নান। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি মাসুদুউজ্জামান লিটু।
