ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় শোক দিবস পালনে প্রস্তুতি সভায় জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম
নিজস্ব প্রতিবেদক:
স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস যথাযথ মর্যাদায় পালন উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গায় এক ভার্চুয়াল প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় জুম ক্লাউড অ্যাপে এ প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার।
এসময় তিনি বলেন, ‘আমাদের কোনো কাজ থেমে নেই। ডিজিটাল বাংলাদেশের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আমরা সব কাজই করছি। তবে করোনাভাইরাসের কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হচ্ছে। সবকিছু করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই ভার্চুয়ালভাবে যতটা সম্ভব, ততটা ভাবগাম্ভীর্য ও মর্যাদায় এ দিবস পালন করা হবে। দিবসটি পালনে সকল পর্যায়ের মানুষকে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু মানুষের জন্য চিরটাকাল কষ্ট করেছেন। বাংলাদেশের মানুষের অধিকার আদায়ের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন।
সভায় ১৫ আগস্ট শোক দিবস যথাযথভাবে পালনের লক্ষ্যে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সরকারি ও বেসরকারি ভবনে সূর্যোদ্বয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, সকাল সাড়ে ৭টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, গীর্জায় বিশেষ প্রার্থনা, ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আলোচনা সভা, বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
এছাড়াও এ উপলক্ষে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখা, ইসলামিক ফাউন্ডেশন চুয়াডাঙ্গা এবং জেলা প্রশাসন বঙ্গবন্ধুর ওপর সংগীত, কবিতা আবৃত্তি, ৭ই মার্চের ভাষণ ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির চিত্রাঙ্কন, হামদ-নাত ও কেরাতসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। একইসাথে জেলা প্রশাসন একটি বিশেষ কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।
সভায় জুম অ্যাপে যুক্ত থেকে বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবু তারেক, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর সিদ্দিকুর রহমান, জেলা শিক্ষা অফিসার নিখিল রঞ্জন চক্রবর্তী, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা তথ্য অফিসার আমিনুল ইসলামসহ জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
