ছবির ক্যাপশন:
দামুড়হুদায় পাটকাটা-বিক্রি শুরু : এবার ফলন ও দাম ভালো
আওয়াল হোসেন:
দামুড়হুদা উপজেলার কৃষকরা অগ্রিম পাট ঘরে তুলতে শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে কিছু কিছু কৃষক তাঁদের পাট কেটে জাঁক দিয়ে পাট ধুয়ে শুকিয়ে বাজারে বিক্রি করতে শুরু করেছেন। এবার পাটের ফলন ভালো হয়েছে। চলতি মৌসুমে আগাম পাট কেটে বোরো ধানের চাষ করার জন্য কৃষকরা পাট কেটে ফেলছে।
উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের মিয়াজ উদ্দিনের ছেলে কৃষক ইয়াসিন আলী জানান, ‘আমার দুই বিঘা পাট ছিল। চলতি মৌসুমে বোরো ধানের আবাদ করার জন্য আগাম পাট কেটে জাঁক দিয়েছিলাম। আমার দুই বিঘা জমিতে প্রায় ১৬-১৭ মন হারে পাট উৎপানের আশা করছি।’
দর্শনা আড়ৎদার আব্দুল কাদের ও আলাউদ্দিন বলেন, এ বছর পাটের মূল্যে বেশ ভালো। বর্তমানে পাটের রঙ ভালো হলে ২২ শ টাকা মণ দরে ক্রয় করছি। রঙ একটু খারাপ হলে ২১ শ টাকা-সাড়ে ২১ শ টাকা দরে পাট ক্রয় করছি। তবে এ মূল্যে কত দিন থাকবে, বলতে পারব না। আগামীতে পাটের মূল্যে বেশিও হতে পারে, আবার কমেও যেতে পারে। আশা করছি এ বছর পাটের বেশি মূল্যে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মনিরুজ্জামান বলেন, গত বছরের তুলনায় চলতি পাট উৎপাদন মৌসুমে দামুড়হুদা উপজেলায় ৩ হাজার ৫৯০ হেক্টর জমিতে পাট উৎপাদন হয়েছে। চলতি পাট উৎপাদন মৌসুমে ৬ হাজার ৯৪৫ হেক্টর জমিতে পাট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। সেখানে এ উপজেলার কৃষকরা এ বছর ১০ হাজার ৫৩৫ হেক্টোর জমিতে পাট বোপণ করেছে। ফলে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী চলতি পাট উৎপাদন মৌসুমে ৩ হাজার ৫৯০ হেক্টর জমিতে বেশি পাট উৎপাদন হয়েছে। এ বছর পাটের মূল্যে বেশ ভালো পাবেন কৃষকেরা।
