ছবির ক্যাপশন:
সমীকরণ ডেস্ক: ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কিবরিয়া শিকদার ও তাঁর সমর্থকদের বিরুদ্ধে এক সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। আহত সাংবাদিক এইচএম বাদল আঞ্চলিক পত্রিকা বরিশাল প্রতিদিন-এর কাঁঠালিয়া প্রতিনিধি। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনের সাংসদ বজলুল হক হারুন (বিএইচ হারুন) ও তাঁর ছেলে মাহিয়ান মাহিমের মালিকানাধীন আলোচিত রেইনট্রি হোটেল নিয়ে দুই ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ ফেসবুকে শেয়ার ও লাইক দিয়েছেন। গত মঙ্গলবার দুপুরে বাদলকে কাঁঠালিয়া বাজার থেকে তুলে উপজেলা পরিষদে নিয়ে মারধর করা হয়। বর্তমানে তিনি ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এলাকাবাসী সূত্র জানায়, স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে সরকার-সমর্থক এক ইউপি সদস্যের ছেলের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে ওই ছাত্রীর বাবা অভিযোগ দাখিল করেন। বাদল স্থানীয় পত্রিকায় এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন করেন। এ নিয়ে তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন ক্ষমতাসীন নেতাকর্মীরা। গত বুধবার সকালে ঝালকাঠি সিভিল সার্জন শ্যামল কৃষ্ণ হাওলাদার আহত বাদলকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, সাংবাদিকের শরীরে একাধিক ফোলা-জখম রয়েছে। অতিরিক্ত আঘাতের ফলে অনেক স্থানে তাঁর মাংসপেশি শক্ত হয়ে গেছে। জানতে চাইলে কিবরিয়া শিকদার বলেন, ‘আমাদের নেতা বিএইচ হারুনের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ সংবাদের পোস্টে বাদল ফেসবুকে লাইক দিয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের হয়রানি করার অভিযোগ আছে। এ কারণে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকে সামান্য মারধর করেছে। তবে এতে আমার হুকুম ছিল না। ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ আমরাই করেছি।
