লাখ টাকার গরুর চামড়া দুইশ টাকায় বিক্রি!

আপলোড তারিখঃ 2021-07-25 ইং
লাখ টাকার গরুর চামড়া দুইশ টাকায় বিক্রি! ছবির ক্যাপশন:
সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের কারসাজি, এবারেও চামড়ার বাজারে মন্দা নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গায় গত বছর ঈদে দাম না পেয়ে কোরবানির পশুর চামড়া নামমাত্র দামে বিক্রি হয়েছিল। এবারের চিত্রও তার ব্যতিক্রম নয়, চামড়া নিয়ে সব মহলেই হতাশা। অভিযোগ রয়েছে, পানির দামের চেয়ে সস্তায় বিক্রি হচ্ছে কোরবানির পশুর চামড়া। যথাযথ তদারকির অভাবে এবং সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে চামড়ার বাজারে বড় ধরনের দরপতন ঘটেছে। বাজারে গরুর চামড়া বিক্রি করতে আসা রহমত উল্লাহ বলেন, লাখ টাকার গরুর চামড়া অনেক কষ্টে মাত্র দুইশ টাকায় কোনো মতে বিক্রি করলাম। অথচ কয়েক বছর আগে এ ধরনের চামড়া বাজারে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকায় কেনাবেচা হয়েছে। চামড়া ব্যবসাও এখন সিন্ডিকেটের দখলে চলে গেছে। এদিকে, চুয়াডাঙ্গার একাডেমি মোড়, রেলবাজার, বড় বাজার, সিঅ্যান্ডবি পাড়াসহ জেলার বিভিন্ন আড়তে চলছে কোরবানির পশুর চামড়া কেনাবেচা। অভিযোগ রয়েছে, নানা অজুহাত দেখিয়ে চামড়ার দাম কমিয়ে দিয়েছেন পাইকারি আড়তদাররা। ফলে বাধ্য হয়ে লোকসান দিয়ে পানির দামে চামড়া বিক্রি করছেন চামড়া ব্যবসায়ীরা। আকার ভেদে পোস্তায় প্রতি পিস গরুর চামড়া বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ৩০০ টাকায়। ঈদের দিন বুধবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাস্তার পাশে পড়ে ছিল শত শত পিস অবিক্রিত কোরবানির পশুর চামড়া। অবশ্য শুরুর দিকে গরুর চামড়া ৩০০ থেকে সাড়ে ৫০০ এবং ছাগলের চামড়া ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। কিন্তু সময় যত গড়িয়েছে চামড়ার দাম ততই নিম্নমুখী হয়েছে। শেষে ক্রেতা না পেয়ে গরুর চামড়া ২০০ থেকে ২৫০ এবং ছাগলের চামড়া অনেকটাই বিনামূল্যে দিতে বাধ্য হন বিক্রেতারা। চুয়াডাঙ্গার কয়েকজন বড় চামড়া ব্যবসায়ী বলেন, বিগত বছরগুলোতে শহর এবং শহরের বাইরের অনেক এলাকা থেকে অসংখ্য ব্যবসায়ী জেলায় চামড়া কিনতে আসতেন। কিন্তু এবার সেই সংখ্যাও অনেক কম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, চামড়া বলতে গেলে পানির দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে লাভ তো দূরে থাক, পরিবহন ব্যয়ও ওঠে না। একটি গরুর চামড়া সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে না। আর ছাগলের চামড়া তো বিনামূল্যেও কেউ নিচ্ছে না। ফলে অনেকেই এবার চামড়া কিনতে আগ্রহ দেখাননি। জেলা শহরের কয়েকজন ব্যবসায়ীরা বলেন, একটি চামড়া ৩০০ টাকায় কিনলে লবণ ও প্রক্রিয়াজাত করতে আরও ৩০০ টাকা খরচ হয়। এরপর পরিবহন খরচ দিয়ে মোকামে পাঠাতে আরও টাকা খরচ হয়। এরপর পরিবহন খরচ দিয়ে ট্যানারিতে পাঠিয়ে সে অনুযায়ী মূল্য পাব, এমন নিশ্চয়তা নেই।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)