ছবির ক্যাপশন:
করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকির মধ্যেই চুয়াডাঙ্গায় জমে উঠেছে ঈদ বাজার
জেলার বিভিন্নস্থানে মোবাইল কোর্টে ৩৫ জনকে প্রায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা
নিজস্ব প্রতিবেদক:
করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকলেও চুয়াডাঙ্গায় জমে উঠেছে ঈদ বাজার। ঈদকে কেন্দ্র করে বিপণি-বিতানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে ক্রেতাদের উদাসীনতা দেখা গেছে। ক্রেতারা সামাজিক দূরত্বও মানছেন না। এ ক্ষেত্রে দোকানি বা বিক্রেতা রা ক্রেতাদের কাছে অসহায়। ফলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে। আর ক্রেতাদের এই উদাসীনতার জন্য জরিমানা গুনছেন দোকানিরা। প্রশাসনও কঠোর অবস্থানে আছে। স্বাস্থ্যবিধি না মানলে করা হচ্ছে জরিমানা। গতকাল শুক্রবার জেলা বিভিন্ন স্থানে ৬টি মোবাইল কোর্টে ৩৫টি মামলায় ৩৫ জনকে ১৯ হাজার ৩ শ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ১ জুলাই থেকে কঠোর লকডাউন দেওয়া হয়। দুই সপ্তাহের কঠোর লকডাউন বুধবার মধ্যরাতে শেষ হয়। ঈদুল আজহা সামনে রেখে আট দিনের জন্য শিথিল করা হয়েছে এই লকডাউন। ফলে চুয়াডাঙ্গাসহ সারাদেশে অফিস-আদালত, দোকানপাট ও বিপণিবিতান খুলেছে। ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে আবারও ১৪ দিনের জন্য লকডাউন শুরু হবে।
সরেজমিন দেখা যায়, ঈদ সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গা শহরের মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের প্রচন্ড ভিড় সামাল দিতে পারছেন না দোকান মালিকরা। স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই নেই। ক্রেতারা সামাজিক দূরত্ব মোটেও মানছেন না, যদিও তাদের বেশির ভাগের মুখে মাস্ক লক্ষ্য করা গেছে। মালামাল কিনতে গিয়ে যেন দোকানগুলোতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন ক্রেতারা।
ঝুঁকি নিয়ে কেনাকাটা করতে আসা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ক্রেতারা বলেন, ‘প্রতিটি দোকানে ভিড়, যে কারণে কারও পক্ষেই স্বাস্থ্যবিধি বা সামাজিক দূরত্ব মানা সম্ভব হচ্ছে না। ঈদে নিজেদের জন্য না হলেও বাচ্চাদের জন্য নতুন জামা-কাপড় কিনতে হবে। তাই ঝুঁকি নিয়েও বাজারে এসেছি।’
দোকান মালিকেরা বলেন, ‘আমরা যতটুকু সম্ভব স্বাস্থবিধি মেনে চলছি। তবে ক্রেতাদের দূরত্ব বজায় রেখে কেনাকাটা করতে অনুরোধ করলেও তারা শুনছেন না। বলতে গেলে বরং বিপরিত ফল হয়।’
