ছবির ক্যাপশন:
লকডাউন শিথিলের প্রথম দিনেই চুয়াডাঙ্গায় স্বাস্থ্যবিবিধির বালাই নেই
২৩টি মামলায় ২৬ জনকে প্রায় ২৪ হাজার টাকা জরিমানা
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কঠোর লকডাউন শিথিলের প্রথম দিনেই চুয়াডাঙ্গার শহরজুড়ে স্বাস্থ্যবিবিধির বালাই নেই। শহর ও অলি-গলির সব সড়কে প্রচুর জনসমাগম ছিল। খুলেছে দোকানপাট, বাজার ও শপিংমল। চলছে পরিবহন। তবে গতকাল বৃহস্পতিবার চুয়াডাঙ্গা শহরে স্বাস্থ্যবিধির কোনো বালাই ছিল না বললেই চলে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, চুয়াডাঙ্গা শহরের বড় বাজার, শহীদ হাসান চত্বর, ফেরিঘাট রোড, পুরাতন হাসপাতাল রোড, শহীদ আবুল কাশেম সড়ক, সদর হাসপাতাল রোড, কোর্ট রোডসহ বেশ কিছু এলাকায় কম-বেশি যানজট চোখে পড়েছে। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দোকানপাট, বিপণি-বিতান, শপিংমল ও সড়কের পাশ দখল করে ফুটপাতে চলেছে বেচাকেনা। বিভিন্ন জায়গায় বেচাকেনার সময় স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি।
করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গত ১ জুলাই থেকে কঠোর লকডাউন দেওয়া হয়। দুই সপ্তাহের কঠোর লকডাউন বুধবার মধ্যরাতে শেষ হয়। ঈদুল আজহা সামনে রেখে আটদিনের জন্য শিথিল করা হয়েছে এই লকডাউন। ফলে চুয়াডাঙ্গাসহ সারা দেশে অফিস-আদালত, দোকানপাট ও বিপণি-বিতান খুলেছে। আগমাী ২৩ জুলাই অর্থাৎ ঈদের পরে আবারও সকাল ৬টা থেকে ১৪ দিনের জন্য লকডাউন শুরু হবে।
এদিকে, রাস্তায় মানুষ বেড়ে গেলেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন বিপণি-বিতানে গিয়ে তেমন ভিড় চোখে পড়েনি। মার্কেটের ভেতরে কিছু লোকজনকে মাস্ক ছাড়াই ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেছে। তাদের কারও মাস্ক ছিল হাতে, আবার কারও থুতনিতে।
অপরদিকে, স্বাস্থ্যবিধি না মানায় গতকাল বৃহস্পতিবার ১০টি মোবাইল কোর্টে ২৩টি মামলায় ২৬ জনকে ২৩ হাজার ৯শ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। প্রশাসন থেকে বলা হয়েছে, ‘সরকার ১৪দিন শেষে কঠোর লকডাউন শিথিল করেছে। শিথিলের খবরে চুয়াডাঙ্গার সড়কে সড়কে মানুষের চলাচল বেড়েছে। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে প্রতিদিন জেলা প্রশাসন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে যাচ্ছে। দোকানপাট, বাজার, শপিংমল ও পরিবহন নেতাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে; যাতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা হয়।’
