ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গায় সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সরব উপস্থিতি, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে চেকপোস্ট
নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় পৃথক মোবাইল কোর্টে ৬৩ জনকে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে অব্যাহত আছে প্রশাসনের কঠোর তৎপরতা। চতুর্থ দিনের লকডাউনেও প্রশাসনকে কঠোরভাবে মাঠে দেখা গেছে। সকাল থেকে চুয়াডাঙ্গা শহরের চিত্র ছিলো অনেকটা অচেনা। শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে চেকপোস্ট থাকায় গিজ গিজ করা সড়কে হঠাৎ মানুষের সংখ্যা ছিলো একেবারেই কম। যানবাহনও তেমন ছিল না। জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষ যাতায়াত করেছেন রিকশা বা অন্য কোনো যানবাহনে। মোড়ে মোড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সেনা-বিজিবির জোর টহলের সঙ্গে কোথাও কোথাও মোবাইল কোর্টের তল্লাশি ছিলো চোখে পড়ার মতো। গতকাল রোববার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছেন জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ। গতকাল রোববারও স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা না মানার অপরাধে জেলাজুড়ে ৮টি মোবাইল কোর্টে ৪২টি মামলায় ৬৩ জনকে ৪৪ হাজার ৮০০ টাকা জরিমান করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা শহরে এদিনও লকডাউন কঠোরভাবেই বাস্তবায়ন করানো হয়েছে। তবে কিছু অসচেতন মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি না মানার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।
রোববার সকাল থেকেই জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ শহরের বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। সকালের দিকে বড় বাজারে কঠোর অবস্থানে দেখা যায় পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের। তবে কাঁচা বাজারে প্রতিদিনের মতোই স্বাস্থ্যবিধি না মানার মানুষের সংখ্যা বেশি দেখা গেছে। গাদাগাদি করে কেনাবেচা করতে দেখা গেছে। মুখে মাস্ক ছিলো না বেশিরভাগ ক্রেতার।
এদিকে, দিনব্যাপী শহর জুড়ে সুনসান পরিবেশই দেখা গেছে। মানুষের চলাচল খুব বেশি পরিলক্ষিত হয়নি। কিছু কিছু মানুষ জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলেও পুলিশ এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের চোখ ফাকি দিয়ে চলাচল করেছেন।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, কঠোরভাবে লকডাউন প্রতিপালন করানো হচ্ছে। এখন একটুও ছাড় দেওয়া সম্ভব নয়। প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে আছে। আমরা আশা রাখছি, ধীরে ধীরে করোনার সংক্রমণ এবং মৃত্যুর সংখ্যা কমে আসবে।
