ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গায় করোনা রোগীদের জন্য ৫টি হাই-ফ্লো নেজাল ক্যানুলা হস্তান্তর
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় করোনা সংক্রমিত রোগীদের সেবায় নতুন ৫টি হাই ফ্লো নেজাল ক্যানুলা হস্তান্তর করা হয়েছে। সাংসদ, ব্যবসায়ী ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ চিকিৎসা-সামগ্রী স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার। গতকাল মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সামগ্রী গ্রহণ করেন সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান।
চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজগার টগরের পক্ষ থেকে ২টি, জেলার সুপরিচিত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান মোল্লা ট্রেডার্সের পক্ষ থেকে ২টি ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১ হাই-ফ্লো নেজাল ক্যানুলা মেশিনের ব্যবস্থা করা হয়। মোট ৫টি মেশিন করোনা ইউনিটের রোগীদের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান বলেন, সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় সংক্রমণ বাড়ছে অতিমাত্রায়। এ অবস্থায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে রোগীদেরও ভিড় বাড়ছে। কিন্তু সে তুলনায় হাসপাতালের সক্ষমতা নেই। সক্ষমতা ও চিকিৎসা-সামগ্রীর ব্যবস্থাপনা এখন জরুরি। এভাবে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে স্বাস্থ্য বিভাগের পাশে দাঁড়ালে একসাথে এ অতিমারী জয় করা সম্ভব।
এসময় জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, জেলার হাসপাতালগুলোতে করোনা রোগীর চাপ বাড়ছে। মৃত্যুর সংখ্যাও কম নয়। এ জেলায় আইসিইউ ব্যবস্থা নেই। তাই অনেকে আইসিইউ’র অভাব অনুভব করছেন। তাৎক্ষণিকভাবে আইসিইউ বিকল্প হিসেবে হাই- ফ্লো নেজাল ক্যানুলা মেশিন বসানো হচ্ছে। যার যার অবস্থান থেকে জেলার স্বার্থে করোনা প্রতিরোধে সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।
হস্তান্তর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবু তারেক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাজিয়া আফরিন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আরাফত রহমান, দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলী মুনছুর বাবু, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর আমজাদ হোসেন, চুয়াডাঙ্গার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফাতেহ্ আকরাম ও মোল্লা ট্রেডার্সের প্রতিনিধি মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।
