করোনা ও উপসর্গে তিন জেলায় ২২ জনের মৃত্যু

আপলোড তারিখঃ 2021-06-28 ইং
করোনা ও উপসর্গে তিন জেলায় ২২ জনের মৃত্যু ছবির ক্যাপশন:
মেহেরপুরে নতুন ৭৫, ঝিনাইদহে ৯০ ও চুয়াডাঙ্গায় ৮৪ জন আক্রান্ত মহামারিতে সারা দেশে আরও ১১৯ জনের প্রাণহানি, শনাক্ত ৫২৬৮ সমীকরণ প্রতিবেদক: সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস সংক্রমিত হয়ে ১১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ শনাক্তের পর থেকে এখন পর্যন্ত এটাই ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চসংখ্যক মানুষের মৃত্যুর রেকর্ড। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৫ হাজার ২৬৮ জন। গতকাল রোববার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে গত ১৯ এপ্রিল এক দিনে সর্বোচ্চ ১১২ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। দেশে এ পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মোট ৮ লাখ ৮৮ হাজার ৪০৬। মোট মৃত্যু হয়েছে ১৪ হাজার ১৭২ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৮ লাখ ৪ হাজার ১০৩ জন। শেষ ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে খুলনা বিভাগে। ঢাকা বিভাগে মৃত্যু হয়েছে ২৪ জনের। আর রাজশাহী ও চট্টগ্রামে মারা গেছেন ২২ জন করে। বাকিরা অন্য বিভাগের। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ২৪ হাজার ৪০০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৫৯। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো দেশে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বোঝার একটি নির্দেশক হলো রোগী শনাক্তের হার। কোনো দেশে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্ত ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরা যায়। সেখানে কয়েক দিন ধরে বাংলাদেশে রোগী শনাক্ত ২০ শতাংশের বেশি হচ্ছে। সারা দেশের ন্যায় চুয়াডাঙ্গাসহ পার্শ্ববর্তী জেলা মেহেরপুর ও ঝিনাইদহে মহামারি আকার ধারণ করছে করোনা ভাইরাস। গতকাল চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও ঝিনাইদহে করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মোট ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গায় করোনা ও উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে নয়জনের, মেহেরপুরে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের ও ঝিনাইদহে করোনা আক্রান্ত আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও গতকাল চুয়াডাঙ্গায় নতুন করে ৮৪ জন, মেহেরপুরে ৭৫ জন ও ঝিনাইদহে ৯০ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা: চুয়াডাঙ্গায় নতুন করে আরও ৮৪ জনের নমুনায় করোনা শনাক্ত হয়েছে। এনিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্তের শংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১৬৭ জনে। জেলায় প্রতিদিন এই ভাইরাসে আক্রান্ত ও উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েই চলেছে। গতকাল জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে দুজন ও করোনা উপসর্গে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সমেয় নতুন ১০২ জন সুস্থ হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট সুস্থ হয়েছে ২ হাজার ১৬২ জন। জানা যায়, গতকাল করোনায় মৃত্যু হওয়া দুজন হলেন- জীবননগর উপজেলার বাকা গ্রামের লুৎফর মণ্ডল (৮০) ও আলমডাঙ্গার হাড়োকান্দি গ্রামের সাহেদা বেগম (৬৮)। গতকাল শনিবার ভোর সোয়া চারটার দিকে সদর হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে লুৎফর মণ্ডলের। তিনি জীবননগর অবস্থানকালে করোনা আক্রান্ত হন। গতকাল করোনা উপসর্গ নিয়ে সদর হাসপাতালের ইয়োলো জোনে নিতজন ও আলমডাঙ্গা উপজেরায় চারজনসহ মোট সাতজনের মৃত্যু হয়ে। নিহতদের মধ্যে সদর হাসপাতালের ইয়োলো জোনে মৃত্যু হওয়া তিনজন হলেন- চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সন্তোষপুর গ্রামের মৃত মূসা করিমের ছেলে জোয়ান মণ্ডল (৬৫), দামুড়হুদা উপজেলার মতিয়ার রহমানের স্ত্রী ডলি (৪৫) ও মেহেরপুর জেলার বাড়াদি ইউনিয়নের পাটকেলপোতা গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে হুমায়ুন কবির (৫০)। সদর হাসপাতালের ইয়োলো জোনে করোনা উপসর্গ জ্বর, ঠাণ্ডা ও শ্বাসকষ্টসহ করোনার বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে গতকাল রাত আটটার দিকে হুমায়ুন কবিরকে ভর্তি করে তাঁর পরিবারের সদস্যরা। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। গত শনিবার দিবাগত রাত ১২ টা ৪০ মিনিটের দিকে ভর্তি হন ডলি আক্তার (৪৫), গতকাল রাত সোয়া ১০টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয় ও গত ২৬ জুন বিকেল পাঁচটা ২০ মিনিটে ভর্তি হন জোয়ান মণ্ডল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল দুপুর ২টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. এ এস এম ফাতেহ্ আকরাম জানান, গতকাল রোববার সদর হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনা আক্রান্ত একজন ও খুলমা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন এ জেলার আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও সদর হাসপাতালের ইয়োলো জোনে করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও তিনজনের। উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হওয়া তিনজনের শরীর থেকে করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। মৃত্যুর পর করোনা প্রটোকলে নিহতের লাশ পরিবারের সদস্যদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। আলমডাঙ্গায় হোম আইসোলেশনে মৃত্যু হওয়া চারজন হলেন- আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার স্টেশনপাড়ার মৃত আজিজুল মেম্বরের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন (৩০), কালিদাসপুর ইউনিয়নের ডম্বলপুর গ্রামের খুশলালের ছেলে তাইজেল হোসেন (৫৫), নগর বোয়ালিয়া গ্রামের মৃত সমীর উদ্দীনের ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৬০) ও আলমডাঙ্গার নওদাপাড়ার প্রবাসী খোকন আহমেদের স্ত্রী রিনা আহমেদ (৩৬)। নিহত চারজনই করোনা উপসর্গ জ্বর, ঠাণ্ডা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন। মৃত্যুর পর তাঁদের শরীর থেকে করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। গতকাল পিসিআর ল্যাবে পরীক্ষিত চুয়াডাঙ্গার ২২৫টি নমুনার ফলাফল প্রকাশ করেছে জেলা স্বাস্থ বিভাগ। এর মধ্যে ৮৪ জনের নমুনায় করোনা শনাক্ত হয়েছে। বাকী ১৪১টি নমুনার ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। জেলায় নতুন আক্রান্ত ৮৪ জনের মধ্যে সদর উপজেলার ১৮ জন, আলমডাঙ্গার ১২ জন, দামুড়হুদার ২১ জন ও জীবননগর উপজেলার ৩৩ জন রয়েছেন। নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের ৩৭.৩৪ শতাংশ। এনিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ১৬৭ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সদর উপজেলার ১ হাজার ৪৩৪ জন, আলমডাঙ্গার ৫০০ জন, দামুড়হুদায় ৭৫৭ জন ও জীবননগরে ৪৭৫ জন। জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ করোনা পরীক্ষার জন্য গত বৃহস্পতিবার ২২৩টি, শুক্রবার ১৭টি ও গত শনিবার ২৩২টি নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য কুষ্টিয়া পিসিআর ল্যাবে প্রেরণ করে। গতকাল উক্ত নমুনা ও পূর্বের পেন্ডিং নমুনার মধ্যে ২২৫টি নমুনার ফলাফল প্রকাশ করে জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ। গতকাল জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ আরও ২৭৯টি নমুনা সংগ্রহ করে করোনা পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করেছে। চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন অফিসের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী জেলা থেকে এ পর্যন্ত মোট নমুনা সংগ্রহ ১৩ হাজার ২৭৩টি, প্রাপ্ত ফলাফল ১২ হাজার ৪৪৩টি, পজিটিভ ৩ হাজার ১৬৭ জন। জেলায় বর্তমানে ৯০৬ জন হোম আইসোলেশন আইসোলেশনে রয়েছে। এর মধ্যে হোম আইসোলেশনে আছে ৮৪১ জন ও হাসপাতাল আইসোলেশনে ৬৫ জন। গতকাল রোববার করোনা আক্রান্ত হয়ে জেলার বাইরে একজন ও জেলায় প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে একজনসহ নতুন দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত জেলায় মোট মৃত্যু হয়েছে ৯৬ জনের। এরমধ্যে সদর উপজেলার ৩০ জন, আলমডাঙ্গায় ১৯ জন, দামুড়হুদায় ২৫ জন ও জীবননগরে ১০ জনসহ ৮৪ জন। চুয়াডাঙ্গায় আক্রান্ত অন্য ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে জেলার বাইরে। মেহেরপুর: মেহেরপুরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এক দিনে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। সাতজনই মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গতকাল রোববার ভোরে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তাঁরা। মৃত ব্যক্তিরা হলেন- মেহেরপুর সদর উপজেলার উজলপুর গ্রামের মেরিনা খাতুন (৩৫), মুজিবনগর উপজেলার আনন্দবাস গ্রামের নজরুল ইসলাম (৫৫), সকাল ১০টার দিকে ও চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা এলাকার রোকনের স্ত্রী রিনা খাতুন (৪৫), এবং দুপুর ২টার দিকে মুজিবনগরের মহাজনপুর গ্রামের জহুরা খাতুন (৯০) মারা যান। একই দিন বিকেলে সদর উপজেলার আশরাফপুর গ্রামের মোহন আলী (৬০) ও মুজিবনগর উপজেলার মহাজনপুর গ্রামের আব্দুল গফুরসহ (৭০) আরও একজন মারা যান। এ নিয়ে জেলাতে করোনায় মেহেরপুরে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৪৬ জনে। মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) মকলেছুর রহমান জানান, এই প্রথম এক দিনে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাতজন মারা গেলেন। অধিকাংশ রোগী সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। হাসপাতালে অক্সিজেনের কোনো ঘাটতি নেই। কিন্তু সচেতনতার অভাবে শেষ সময়ে রোগীদের ভর্তি করাচ্ছেন। যাদের অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৩০ থেকে ৪০ নেমে গেছে। ফলে চিকিৎসকদের করণীয় কিছুই থাকছে না। এদিকে, মেহেরপুরে নতুন করে আরও ৭৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে সদর উপজেলায় ৩২ জন, গাংনীতে ৩৯ জন এবং মুজিবনগরে ৮৯ জন। গতকাল রোববার রাতে মেহেরপুরের সিভিল সার্জন ডা. নাসির উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। সূত্রে আরও জানা গেছে, নতুন প্রাপ্ত রিপোর্ট ১৫৯টি। তারমধ্যে ৭৫ জনের করোনা পজিটিভ। এনিয়ে বর্তমানে মেহেরপুর জেলায় করোনা পজিটিভের সংখ্যা ৪৩০ জন। তার মধ্যে সদরে ১৭৯ জন, গাংনীতে ১৬২ জন এবং মুজিবনগরে ৮৯ জন। এ পর্যন্ত মেহেরপুরে মারা গেছেন ৪৭ জন। ঝিনাইদহ: ক্রমশ মৃত্যুর মিছিল বাড়ছে ঝিনাইদহে। প্রতিদিন শহর ও গ্রামের পরিচিতজনরা মারা যাচ্ছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে ঝিনাইদহে মারা গেছেন ৬ জন। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৯০ জন। মৃত ব্যক্তিরা হলেন- শহরের নতুন কোর্টপাড়ার ঝিনাইদহ জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলফাজ উদ্দীন কবির, চাকলাপাড়ার এনজিও কমী বাদল, শৈলকুপার লক্ষীপুর গ্রামের মৃত আজিবর রহমানের ছেলে মতিয়ার রহমান, পৌর এলাকার শ্যামপুর গ্রামের নজির মণ্ডলের স্ত্রী শুকজান বেগম, হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বেলতলা গ্রামের আমিনুল ইসলাম রুকু ও কালীগঞ্জের বাদুরগাছা গ্রামের ইসমাইল হোসেন। ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন ডা. সেলিনা বেগম জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৯০ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩ জন। উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণকারীদের পরীক্ষার রিপোর্ট যদি পজিটিভ আসে, তবে সোমবার সঙ্গে কাউন্ট হবে বলে তিনি জানান। শৈলকুপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করোনা ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. শাহনেওয়াজ ইবনে কাশেম জানান, সেখানে দুইজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। এর মধ্যে মৃত মতিয়ার রহমান গত শনিবার রাত ১২টার দিকে করোনা উপসর্গ নিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন। একটু পরেই তাঁর মৃত্যু হয়। আর শুকজান নেছা গতকাল রোববার বেলা ১১টার দিকে করোনা উপসর্গ নিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে আসলে তিনিও মারা যান। পরে উভয়ের নমুনা এন্টিজেন টেস্ট করা হলে দেখা যায় তাঁদের করোনা পজিটিভ।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)