ছবির ক্যাপশন:
জাতীয় কবির ১২২তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আলোচনা সভায় অতিরিক্ত সচিব জাকির হোসেন
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২২তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ‘নজরুল : দ্রোহ ও প্রেম’ শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত আটটায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার।
প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালভাবে যুক্ত থেকে আলোচনা করেন কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক (অতিঃ সচিব) মোহাম্মদ জাকির হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, কালজয়ী প্রতিভার অধিকারী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সাম্য, মানবতা, প্রেম, তারুণ্য ও দ্রোহের কবি। কবি নজরুল তার প্রত্যয়ী ও বলিষ্ঠ লেখনীর মাধ্যমে এদেশের মানুষকে মুক্তিসংগ্রামে অনুপ্রাণিত ও উদ্দীপ্ত করেছিলেন। তার গান ও কবিতা সবসময় যে কোনো স্বাধীনতা আন্দোলনে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলা সাহিত্য-সংগীতে কাজী নজরুল ইসলামের অবদান অনস্বীকার্য। ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি গেয়েছেন মানবতার জয়গান। নজরুলের লেখনী থেকেই আমরা ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এবং বাঙালির মুক্তিযুদ্ধসহ প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে অনুপ্রেরণা পেয়েছি।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, জাতীয় জাগরণের অন্যতম পথিকৃত কবি নজরুল ছিলেন বাঙালি জাতির রাজনৈতিক মুক্তি-সংগ্রামের অকুতোভয় সৈনিক। অসামান্য ও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী কবি নজরুলের আজীবন সাধনা ছিল সমাজের শোষিত ও নিপীড়িত মানুষের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তি এবং মানুষের সামাজিক মর্যাদার স্বীকৃতি অর্জন। তার সাহিত্যকর্মে উচ্চারিত হয়েছে পরাধীনতা, সাম্প্রদায়িকতা ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রামের বাণী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অগ্নিবীণার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এইচ এম সিরাজ। সঞ্চালনা করেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুন্সি আবু সাঈফ। এছাড়া আরও শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনিরা পারভীন।
