ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক:
দামুড়হুদায় কু-প্রস্তাবের প্রতিবাদ করায় শামসুন্নাহার বেগম (৩৫) নামের এক নারীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে পেণ্টু হালসোনা (৫০) নামের এক ব্যক্তির ওপর। গতকাল সোমবার দুপুর তিনটার দামুড়হুদা উপজেলার কুতুবপুরের এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় ব্যক্তিরা গুরুতর জখম অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়। জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক শামসুন্নাহারকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে ভর্তি করেন। জখম শামসুন্নাহার দামুড়হুদা উপজেলার কুতুবপুর গ্রামের বিশ্বাসপাড়ার মনসুরের স্ত্রী। অভিযুক্ত পেণ্টু একই এলাকার সদর হালসোনার ছেলে।
শামসুন্নাহার অভিযোগ করে বলেন, ‘কয়েক মাস পূর্বে পেণ্টু নেশাগ্রস্থ অবস্থায় আমাকে কু-প্রস্তাব দেয়। এসময় আমি তাঁর প্রতিবাদ করলে পেণ্টু আমার গায়ে ধাক্কা মারে এবং কুপিয়ে জখম করবে বলে হুমকি দেয়। এরপরও সে বিভিন্ন সময় আমাকে কুপিয়ে জখম করার হুমকি দিয়েছে। সোমবার দুপুরে আমি বাড়ির পাশে অবস্থিত রোকেয়ার দোকানে ডিম কিনতে যায়। পেণ্টু সেখানেই ছিল। দোকানদার আমাকে বসতে বলে ভেতরে ডিম আনতে যায়। ঠিক তখনি পেণ্টু পেছন দিক থেকে এসে আমাকে এলোপাতারি কোপ মারতে থাকে। আমি চিৎকার শুরু করলে প্রতিবেশিরা ছুটে আসলে পেণ্টু পালিয়ে যায়।’
জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সোহানা আহমেদ বলেন, ‘শামসুন্নাহারের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের জখমের চিহ্ন রয়েছে। জরুরি বিভাগ থেকে তাকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে ভর্তি রাখা হয়েছে। রোগীর শরীরের জখম গুরুতর। অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হতে পারে।’
এবিষয়ে জানতে চাইলে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল খালেক বলেন, ‘দামুড়হুদা থানার কুতুবপুর ইউনিয়েনের বিশ্বাসপাড়ায় এক নারীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করার ঘটনাটি জানতে পেরেছি। ঘটনার পরেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযুক্ত পেণ্টুকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। তবে এখনো পর্যন্ত ভুক্তভোগী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পায়নি।’
