ছবির ক্যাপশন:
দর্শনা সীমন্ত দিয়ে নতুন আর ১৩৩ জনের বাংলাদেশে প্রবেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ভারত থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা চেকপোস্ট দিয়ে আরও ১৩৩ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। গতকাল বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত দর্শনা চেকপোস্ট দিয়ে তারা দেশে প্রবেশ করেন। চেকপোস্টে পৌঁছালে তাদের হেলথ স্ক্রিনিং ও করোনাভাইরাস পরীক্ষা করা হয়। এসময় ভারতফেরত দুজনের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়। পরে সকল প্রক্রিয়া শেষে সেখান থেকে তাদেরকে বাস ও মাইক্রোবাস যোগে চুয়াডাঙ্গা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) ও যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে। সেখানে তারা নিজ খরচে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলত কোয়ারেন্টিনে থাকবেন। এছাড়া করোনা আক্রান্ত দুইজনকে গতকালই অ্যাম্বুলেন্সযোগে পুরিশি পাহারায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আইসোলেশ ওয়ার্ডে নেয়া হয়েছে। এ নিয়ে গত তিন দিনে মোট ২১৬ জন বাংলাদেশী দেশে ফিরলেন।
দর্শনা চেকপোস্টের অস্থায়ী হেলথ স্ক্রিনিং বুুথের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. অমিত কুমার বিশ্বাস জানান, দেশে ফেরা সবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হচ্ছে। সেইসাথে এন্টিজেন টেস্টের মাধ্যমে সবার করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় ভারত ফেরত দুজন পুরুষের শরীরের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। যদিও তাদের ভারতে করোনা টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ ছিল। আক্রান্ত দু'জনকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে নেয়া হয়েছে।
দর্শনা চেকপোস্ট দিয়ে আগত ব্যক্তিদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণের জন্য গঠিত উপকমিটির সদস্য ডা. আওলিয়ার রহমান (এমওডিসি) জানান, দর্শনা চেকপোস্ট দিয়ে গতকাল বুধবার আরও ১৩৩ জন বাংলাদেশী দেশে প্রবেশে করেছে। এদের মধ্যে দুজনের শরীরের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত দুজনকে সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও করোনা উপসর্গ থাকায় আরও ৮ জনকে হাসপাতালের কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনের জন্য চুয়াডাঙ্গা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (টিটিসি) নেওয়া হয়েছে ৫০ জনকে, যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে ৫০ জনকে এবং ২৩ জনকে নেওয়া হয়েছে ২৩ জনকে।
ভারত থেকে দেশে ফেরা করোনা আক্রান্ত নতুন দুজনের বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. ফাতেহ্ আকরাম বলেন, ‘ভারত থেকে দেশে ফেরা আরও দুজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হওয়ায় তাদেরকে হাসপাতালের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এ নিয়ে ভারত ফেরত করোনা আক্রান্ত তিনজন রোগী সদর হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।’
