ছবির ক্যাপশন:
বেগমপুর ইউনিয়নে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের মধ্যে হুইল চেয়ার প্রদানকালে ডিসি নজরুল ইসলাম
প্রতিবেদক, হিজলগাড়ী:
‘রাষ্ট্র কর্তৃক প্রদত্ত আইন ও নিদের্শনা পুরোপুরিভাবে মেনে চলা একজন সুনাগরিকের কর্তব্য। বর্তমান সময়ে পুরো বিশ্ব করোনাভাইরাসের মতো ক্ষুদ্র একটি অনুজীবের সাথে বেঁেচ থাকার লড়াই করছে। বৈশ্বিক এই মহামারি থেকে নিজেকে ও দেশকে বাঁচাতে আমাদের সুনাগরিক হয়ে রাষ্ট্র কর্তৃক প্রদত্ত সকল আইন ও নিদের্শনা মেনে চলতে হবে। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বিশ্বের প্রভাবশালী দেশগুলোও হিমশিম খাচ্ছে। তাদের অর্থনীতি প্রবৃদ্ধিও এখন ভেঙে পড়ছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণতায় এই বৈশ্বিক মহামারির মধ্যেও বাংলাদেশ এখন বিশ্ব দরবারে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্থান পেয়েছেন। করোনাকালীন সময়ে একটা মানুষও যাতে না খেয়ে থাকে, সে কারণে সরকার প্রতিনিয়ত মানবিক-সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছেন।’
গতকাল সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়ন পরিষদ মুক্তমঞ্চে আয়োজিত বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্য-সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে হুইল চেয়ার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘অনেকেই অভিযোগ করছে সরকার লকডাউন দিয়েছে, কিন্তু খাবার দিচ্ছে না। তাদের জানা উচিত, গত ১০ দিনে চুয়াডাঙ্গা জেলার ৭৬ হাজারের বেশি মানুষকে খাদ্য ও মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও ২৯ হাজার মানুষের মোবাইলে ২৫ শ টাকা করে দেওয়া হয়েছে, যা এখনও চলমান আছে। তাছাড়া পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে ধারবাহিকভাবে সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।’
বেগমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী হোসেন জোয়ার্দ্দারের সভাপত্বিতে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিস্ট্রিক ফ্যাসিলেটেটর সরোয়ার হোসেন। ইউপি সচিব আশাবুল হক মাসুদের পরিচালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন বেগমপুর ইউনিয়নের প্যালেন চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান, ইউপি সদস্য আবু সালেহ, কায়েশ উদ্দিন, আমিনুল ইসলাম, বাক্কা জোয়ার্দ্দার, মহিলা ইউপি সদস্য নাসিমা খাতুন, আহারন বেগম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বেগমপুর ইউনিয়নের প্রতিটি মসজিদের ইমামদের হাতে সুরক্ষা-সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। এছাড়াও ১২ জন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষের মধ্যে ১২টি হুইল চেয়ার প্রদান করা হয়।
