দর্শনা অফিস:
দর্শনায় সেলিনা খাতুন (৪৫) নামের এক নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার ভোরে নিহত সেলিনার স্বামী বাড়িতে ফিরে ঝুলন্ত অবস্থায় স্ত্রীর লাশ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। নিহত সেলিনা দর্শনা পৌরসভার পরানপুর গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দর্শনা পৌরসভা গিয়াস উদ্দিনের মেয়ে সেলিনা বেগমের সঙ্গে নওয়াগা জেলার পিত্তিপুর গ্রামের নবীন মন্ডলের ছেলে মহিউদ্দিনের ৬ আগে বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকে মহিউদ্দিন তাঁর স্ত্রী সেলিনার পরানপুর গ্রামের জমিতে বসবাস করে আসছিলো। বিভন্ন সময় তাঁদের মধ্যে বিভিন্ন সময় পারিবারিক কোলোহলের সৃষ্টি হয়। এরই জের ধরে জব বৃহস্পতিবার রাতে কোনো এক সময় সেলিনা খাতুন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার আগের দিনে কাজের জন্য জেলার বাইরে ছিলো মহিউদ্দিন। গতকাল ভোরে বাড়িতে ফিরে তিনি ঘরের মধ্যে আড়ার সাঙ্গে তাঁর স্ত্রী সেলিনাকে ফুলন্ত অবস্থায় অবস্থায় দেপে পেয়ে স্থানীয়রা জানান। পরে খবর পেয়ে দর্শনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে নিহতের লাশ উদ্ধার করে মংনাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
এদিকে, গতকাল দুপুর তিনটার দিকে সদর হাসপাতাল মর্গে দুই সদস্য বিশিষ্ঠ মেডিকেল বোর্ড নিহতের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মাহাবুব এ খোদাকে প্রধান করে মেডিকেল বোর্ডে সদস্য ছিলেন সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. ওয়াহেদ মাহমুদ রবিন। ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের লাশ পরিবারের সদস্যদের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
অপরদিকে, এ ঘটনায় সেলিনা খাতনের ভাই আব্দুল খালেক বাদী হয়ে দর্শনা থানা একটি মামলা দায়ের করেছেন। গতকাল বাদ মাগরিব পরানপুর স্কুল মাঠে সেলিনার লাশের জানাজা শেষে গ্রাম্য কবরস্থানে লাশের দাফনকার্য সম্পন্ন করা হয়।
